ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 3 months ago

ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত : কে হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট



প্লেগ বা কলেরা বেছে নিবে না ফ্যাসিস্ট একনায়ক বা ব্যাংকার বেছে নেবে জনগণ। ফ্রান্সের মিলিয়ন মিলিয়ন লোক ভোট দিয়েছেন দ্বিতীয় দফায় তাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের লক্ষে। এই নির্বাচন ফ্রান্স তথা সারা ইউরোপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম দফার নির্বাচনে সামান্য বিতর্ক রয়ে যায় প্রেসিডেন্ট বাছাইয়ে। প্রথম দফায় ৬০ শতাংশের অধিক ভোটে ইম্যানুয়েল ম্যাক্রনকে বেছে নেয় জনগণ। ৩৯ বছর বয়সি ইম্যানুয়েল ম্যাক্রন এই পঞ্চম রিপাবলিকের সর্বাধিক যুবা প্রেসিডেন্ট। কিন্ত  ফাইনাল বাছাইয়ে ভোটারগণ তাকে নির্বাচিত করবে কীনা তা নির্ধারিত হবে এই দফা ভোটে। ভোটারগণ তার কর্মসূচি ও মূল্যবোধ কতটুকু সমর্থন করতে যাচ্ছে সেটিই বিচার্য বিষয়। কত সংখ্যক ভোট কার কর্মসূচি কতটুকু বাতিল করবেন। কে লাভবান হবেন ভোটারের অনুপস্থিতিতে। ফ্রান্স সময় দুপুর ১২.০০টায় ৪৭০০০ ফরাসি জনগণের মধ্যে ২৮.২৩ শতাংশ ভোট দেন যা প্রথম দফার তুলনায় এভারেজ স্কোর।
প্রথম দফা নির্বাচনে প্যারিসে ৫% মানুষ লি পে কে ভোট দেন, সেদিন ছিল ধূসর বৃষ্টিমুখর দিন।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক পরামর্শক ৩২ বছর বয়স্ক ভিসিয়া পেস মি. ম্যাক্রনকে ভোট দেবার পর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি প্রথম দফায় মি. ম্যাক্রনকে ভোট দিয়েছিলাম কারণ, তবে ধারণাগুলো আমার দলের মত কিন্ত তার কর্মসূচির বিষয় আমার যথেষ্ট সংরক্ষণশীলতা আছে কারণ তিনি তার কর্মসূচিগুলো বাস্তবে রূপ দিতে পারবেন না, এগুলো সত্যিই রূপকথা।
৩৮ বছর বয়স্কা ফরাসি মহিলা ইমানুয়েলা বলেন, ‘তিনি ফ্রন্ট ন্যাশনাল (এফএন)’র ধারণাগুলো চরম ঘৃণা করেন’ এবং মনে করেন মিসেস লি পে নির্বাচিত হলে ফ্রান্স সরাসরি দেউলিয়া হয়ে যাবে।’
তিনি মি. ম্যাক্রনকে ভোট দিবেন কারণ ‘তিনি কম ক্ষতিকর।’ তিনি বলেন, ‘তিনি ঔসব রাজনীতিকগণের বিষয় মোহমুক্ত যারা  দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘এই রিপাবলিকান ফ্রন্ট’র পক্ষে প্রমাণ আছে ২০০২ সালে তারা জীন সারিয়ে লি পেনকে রাস্তায় অবরুদ্ধ করে রেখে ৮০ শতাংশের অধিক ভোটে জ্যাক শিরাককে পুনর্নির্বাচিত করেন। তারা এ বছর ভিন্ন প্রমাণ রেখেছেন।’
মি. ম্যাক্রন ও মিসেস লি পেনের মধ্যে একজন সংখ্যাধিক্য স্কোর পেয়ে নির্বাচিত হবে না’ ফ্রেঞ্চ ভাষায় ‘ni-ni’।