ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 1 week ago

রিজভী চাইলেন সেনা, সিইসি বললেন- প্রয়োজন নেই, রংপুর সিটিতে নির্বাচনী পরিবেশ কতটুকু?



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক :

আগামী ২১ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক এটা সবারই কাম্য। নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের ওপর আওয়ামী লীগের ভরসা থাকলেও ভরসা পাচ্ছে না বিএনপি। বিএনপি বলছে, নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি ইসি। কিন্তু ইসি বলছে, নির্বাচনী পরিবেশ উৎসবমুখর।

 

এমন অভিযোগ তুলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রসিক নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।


বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে
রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই- ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের পেছনের দরজা দিয়ে বিজয়ী করতে কারচুপির চেষ্টা করলে জনগণ মেনে নবে না। তাই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে সেনা মোতায়েন করার দাবি জানাচ্ছি।

 

তিনি ব‌লে‌ন, রংপুর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও ইসি (নির্বাচন কমিশন) তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সেখা‌নে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ এখনো করতে পারেনি ইসি।

 

রুহুল কবির রিজভী ব‌লেন, এরই মধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে- ১৯৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৩টিই ঝুঁকিপূর্ণ। নির্বাচন কমিশন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বারবার আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা গোটা এলাকায় ভয়ভীতি ছড়াচ্ছে বলেও প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন।

 

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে শুরু থেকে যেভাবে হয়রানি করা হয়েছে, তাও নজিরবিহীন। আমরা আবারও নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে পেছনের দরজা দিয়ে জেতানোর কোনো চেষ্টা করলে জনগণ সেটির উপযুক্ত জবাব দেবে। বিএনপির পক্ষ থেকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জোর দাবি জানাচ্ছি।

 

এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, আগামী ২১ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন নিয়ে চলছে সব প্রস্তুতি। নির্বাচন প্রার্থী ও কমিশন সবাই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে প্রস্তুত হচ্ছে নির্বাচনের জন্য। তবে এ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো প্রয়োজন নেই। নির্বাচনের পরিবেশ উৎসবমুখর আছে বলে জানান তিনি।

বাংলা রিপোর্ট/এমআর