ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 2 months ago

সালমান শাহ‘র জনপ্রিয়তা আজও কমেনি কেন ?



 

বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক:

সালমান শাহ নামটি ৯০ দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের এক ধুমকেতুর নাম। যিনি হুট করে এসে বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মন জয় করে খুব তাড়াতাড়ি চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু আজও তিনি দর্শকের হৃদয় জুড়ে বেচে রয়েছেন এবং থাকবেন চিরকাল।

 

 

 

সালমান শাহ ১৯৭১ সালে সিলেট জেলায় অবস্থিত জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরী। তিনি পরিবারের বড় ছেলে। যদিও তাঁর নাম চৌধুরী সালমান শাহরিয়ার ইমন, কিন্তু চলচ্চিত্র জীবনে এসে হয়ে যান ‘সালমান শাহ’।

 

 

 

সালমানের দাদার বাড়ি সিলেট শহরের শেখঘাটে আর নানার বাড়ি দারিয়া পাড়ায়। যে বাড়ির নাম এখন ‘সালমান শাহ হাউস’। নানার মূলবাড়ি ছিল মৌলভিবাজারে। সালমান শাহ ১২ আগস্ট ১৯৯২ সালে বিয়ে করেন, এবং তাঁর স্ত্রীর নাম সামিরা।

 

 

 

বাংলাদেশের ১৯৯০-এর দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নায়ক শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন টেলিভিশন নাটক দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু হলেও পরে তিনি চলচ্চিত্রে একজন জননন্দিত শিল্পী হয়ে উঠেন।

 

 

 

১৯৯২ সালে “কেয়ামত থেকে কেয়ামত” সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন সালমান শাহ। জনপ্রিয় একটি হিন্দি সিনেমার অফিসিয়াল রিমেক ছিল “কেয়ামত থেকে কেয়ামত”।

 

 

 

বাংলাদেশের সিনেমায় তিনি “রোমান্টিক হিরো” হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ সিনেমাটি মুক্তির পর থেকেই চলচ্চিত্রে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন সালমান। পর্দায় তার পোশাক-পরিচ্ছেদ, সংলাপ বলার ধরন, অভিনয় দক্ষতা সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের মনে স্থান করে নিতে সময় লাগেনি এ নায়কের।

 

 

 

একই ছবিতে নায়িকা মৌসুমী ও গায়ক আগুনের অভিষেক হয়। জনপ্রিয় এই নায়ক নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশে সাড়া জাগানো অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

 

 

 

 

মাত্র চার বছরে ২৭টি সিনেমা করে ১৯৯০’র দশকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে আলোড়ন তুলেছিলেন নায়ক সালমান শাহ। ২৭টি চলচ্চিত্রের সবকয়টিই ছিল ব্যবসাসফল।

 

 

 

 

তিনি ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকালে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যুবরণ করেন। অভিযোগ উঠে যে, তাকে হত্যা করা হয়; কিন্তু তার সিলিং ফ্যানে ফাঁসিতে হত্যাকান্ডের কোনো আইনী সুরাহা শেষ পর্যন্ত হয়নি।

 

 

 

এক নজরে সালমান শাহ

● আসল নাম : চৌধুরী সালমান শাহরিয়ার ইমন

● জন্ম : ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১, রবিবার

● বাবা : কমর উদ্দিন চৌধুরী

● মা : নীলা চৌধুরী

● স্ত্রী : সামিরা

● উচ্চতা : ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি

● প্রথম চলচ্চিত্র : কেয়ামত থেকে কেয়ামত

● শেষ ছবি : বুকের ভেতর আগুন

● প্রথম নায়িকা : মৌসুমী

● সর্বাধিক ছবির নায়িকা : শাবনূর (১৪টি)

● মোট ছবি : ২৭টি

● বিজ্ঞাপনচিত্র : মিল্ক ভিটা, জাগুরার, কেডস, গোল্ড স্টার টি, কোকাকোলা, ফানটা।

● ধারাবাহিক নাটক : পাথর সময়, ইতিকথা

● একক নাটক : আকাশ ছোঁয়া, দোয়েল, সব পাখি ঘরে ফেরে, সৈকতে সারস, নয়ন, স্বপ্নের পৃথিবী।

● মৃত্যু : ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬, শুক্রবার

 

 

 

 

সালমান শাহ এর ১০টি জনপ্রিয় ছবি :-

 

 

 

কেয়ামত থেকে কেয়ামত:

১৯৯৩ সালের ঈদুল ফিতরের ছবিগুলোর মাঝে মুক্তি পায় সোহানুর রহমান সোহান এর রেকর্ড পরিমান ব্যবসাসফল ছবি ‘ কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ যা ছিল ভারতের আমির -জুহির ‘কেয়ামত সে কেয়ামত’ ছবির বাংলা সংস্করন বা রিমেক। প্রথম সাক্ষাতেই দর্শক নড়ে চড়ে বসলো নতুন সুদর্শন তরুন নায়ক সালমান কে দেখে। এরপর যতই ছবির গল্প এগোতে থাকে ততই যেন সালমানকে দর্শকদের ভালো লাগতে থাকে । সেই সাথে ভালো লাগতে থাকে সালমান – মৌসুমি জুটিকে ।

 

 

পুরো ছবিতে দুই তরুন তরুনির প্রেম ও সর্বশেষ দুই অভিজাত পরিবারের দন্ধের কারনে দুইজনের করুন মৃত্যুর মদ্ধএ দিয়ে ছবিটি শেষ হয় । যা দর্শকদের চোখ ভেজা অবস্থায় বাড়ী ফিরতে বাধ্য করে । অধিকাংশ হলেই পুরো ৪ সপ্তাহ হাউসফুল ব্যবসা করে অর্থাৎ সিনেমা হল মালিকরা ছবিটি পুরো ১ মাস প্রদর্শন করতে বাধ্য হয়। ছবির গান সবগুলো ছিল সুপারহিট। এই ছবির পর সালমান কে আর কখনও সোহানের ছবিতে পাওয়া যায়নি কিন্তু মৌসুমিকে একাধিকবার সোহানের ছবিতে কাজ করতে দেখা গেছে।

 

 

 

 

অন্তরে অন্তরে:

‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির সুপারহিট সালমান মৌসুমির ২য় সুপারহিট ছবি শিবলি সাদিক এর ‘অন্তরে অন্তরে’। ‘অন্তরে অন্তরে ‘ ছবির আলম খানের গানগুলো ছিল সেই সময়ের রেডিও ও টেলিভিশনের ছায়াছবির গানের মধ্য তুমুল জনপ্রিয় গান। ছবিটি পারিবারিক ও রোমান্টিক প্রেমের ছবি। শিবলি সাদিক মুলত সামাজিক অ্যাকশন ও পারিবারিক গল্পের ছবির এক নিপুন কারিগর। সেই সময় শিবলি সাদিক এর নামটা বক্স অফিসে আলাদা সমীহ জাগানিয়া একটি নাম। যে ছবির পরিচালকের নাম শিবলি সাদিক থাকে সেই ছবি প্রেক্ষাগৃহের মালিকরা চোখ বন্ধ করে নিয়ে যেতো। কারন শিবলির ছবির দর্শক তখনও ঘরে ঘরে ছিল। শিবলি সাদিক একবারে নতুন কিন্তু বক্স অফিসে তোলপাড় করা জুটি ‘সালমান – মৌসুমি’ কে নিয়ে এমন দুর্দান্ত একটি গল্পের ছবি বানালেন আর সাথে শিবলির বন্ধু সঙ্গীত পরিচালক আলম খানের মিষ্টি সুরের গান ছবিতে দিয়ে দিলেন যার ফলাফল সালমান – মৌসুমি জুটির টানা ২ য় সুপারহিট ছবি।

 

 

বিক্ষোভ :

তিন তিনটি রোমান্টিক বা প্রেমের ছবির পর এই প্রথমবার দর্শকরা নতুন এক সালমান কে দেখলো । যে সালমান নিজের ক্রেজ তৈরি করেছিলেন রোমান্টিক ছবির নায়ক হিসেবে সেই সালমান এবার এলেন অ্যাকশন ছবির নায়ক হয়ে। পরিচালক মোহাম্মদ হান্নান তিন সুপারহিট রোমান্টিক ছবির নায়ক সালমান কে নিয়ে তৈরি করেন ।

 

 

 

 

বাংলাদেশের অন্ধকার ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ ‘বিক্ষোভ’ ছবিটি। যার মধ্য দিয়ে কিভাবে মেধাবী ছাত্রদের রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছেন সেই সত্যিকারের চিত্রটি পরিচালক সাহসের সাথে ফুটিয়ে তোলেন এ যেন আমাদের দেশে ঘটে যাওয়া কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মম সত্যিকারের চিত্র।

 

 

 

ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর যথারীতি সালমান ঝড়ে হলগুলো ‘হাউসফুল’ হয়ে ছবি প্রদর্শন করতে থাকে। টিকেটের চড়া মূল্য এবং আবারো হল কাউনটারে দর্শকদের ধস্তাধস্তি ও মারামারি। তবুও ছবির ব্যবসায় কোন আচর পড়েনি।

 

 

 

আজো স্মৃতির পটে ছবিটি হলে দেখার দিনটির কথা বারবার মনে পড়ে আর চোখে সেইসব আনন্দ ও উত্তেজনা নিয়ে বদ্ধ হল ঘরে একের পর এক সিগারেট টানার দৃশ্যগুলো চোখে ভাসে, যেখানে আমরা সব বন্ধুরা ছিলাম চরম টেনশনে। ধন্যবাদ জানাই পরিচালক মোহাম্মদ হান্নান কে এমন একটি চমৎকার সুন্দর ছবি আমাদের উপহার দেয়ার জন্য।

 

 

 

 


দেনমোহর:

১৯৯৫ সালের বিয়োগাত্মক প্রেম কাহিনী নির্ভর ছবি ‘দেনমোহর’। এখানে গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে পরিচালকের কৌশলের প্রশংসা করতেই হয়। ছবির কাহিনীর ধরন, পাত্রপাত্রী নির্বাচন , মৌলিক গান , মুক্তির সময় ও বিজ্ঞাপনের ধরন সব ,মিলিয়ে পরিচালক একটি কৌশল অবলম্বন করেছেন । বাংলাদেশ বেতারে ছবির নিয়মিত ১০ মিনিটের বিজ্ঞাপনে পরিচালক বারবার সালমান – মৌসুমির প্রেম ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব কে উপস্থাপন এবং কাহিনীর সমাপ্তি সম্পর্কে দর্শকদের অন্ধকারে রাখার চেষ্টা পুরোটাই সফল।

 

 

 

এখানে সালমান জমিদারের পুত্র হিসেবে বেশ ভালো অভিনয় করেছেন যিনি জিদি, রাগী ও অহংকারী পিতার সন্তান হিসেবে পুরোটাই সফল। যে একদিকে পিতার দুটি গুন জিদ ও রাগ পেলেও অহংকারী স্বভাবটা পায়নি।

 

 

 

সব কিছুতেই সফল হওয়ার জিদ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাথে সাথে গর্জে উঠা এবং মানুষকে সমানভাবে বিচার করে নিরহংকার ভাবে মেশা ব্যক্তিত্বসম্পূর্ণ এক বলিষ্ঠ যুবক। যার কারনে দর্শক ছবিটি পুরো শেষ করেই হল থেকে বেরিয়েছিল।ছবিটির গানগুলো ছিল সেই সময়ে খুবই জনপ্রিয় গান । বিশেষ করে খালিদ হাসান মিলু ও সাবিনা ইয়াসমিন এর কণ্ঠের শুধু একবার শুধু একবার বলো ভালোবাসি ‘ গানটি ছিল চরম।

 

 

 

আনন্দ অশ্রু:

সিনেমাতে কি নেই? পবিত্র ভালোবাসা, বাবার স্নেহ, পারিবারিক কলহ, লোভ-লালসা, নতুন স্বপ্নে বেঁচে থাকার আশা -সব কিছু মিলিয়ে আনন্দ অশ্রু যেন পরিপূর্ণ সিনেমা। সিনেমাতে নেই কোন দূর্দান্ত অ্যাকশন, রগরগে দৃশ্য। তবুও অনন্য মহিমায় বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আলোকিত হয়ে রয়েছে “আনন্দ অশ্রু”।

 

 

 

 

সিনেমার কাহিনী শুরু হয় বড়লোক বাবার গান পাগল এক ছেলেকে দিয়ে। যার জীবনে গানই সব, গানের টানে ছুটে চলে আসে দেওয়ান পরিবারের ছেলে গ্রামে। পরিচয় হয় গ্রামের দূরন্ত ষোড়শী এক মেয়ের সাথে। তার দুরন্তপনাতে মুগ্ধ হয়ে, প্রমে জড়িয়ে পড়ে দুজন দুজনের। ধনী গরীবের ভালোবাসার যে লড়াই দেখানো হয়ে থাকে অন্যসব ভালোবাসার সিনেমাতে সেখান থেকে বেড়িয়ে এসে পুরোপুরি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয় সিনেমাটিকে।

 

 

 

 

এখানেই “আনন্দ অশ্রু” সবার থেকে আলাদা। সম্পত্তির লোভে নিজের চাচার কাছে ষড়যন্ত্রে শিকার হয় খসরু। জোর করে ড্রাগ দিয়ে অসুস্থ করে রেখে ধীরে ধীরে পাগলে পরিণত করে তোলে খসরুকে। মৃত্যু হয় একটি সুন্দর ভালোবাসার। সিনেমার শেষদিকে কাঞ্চির ভালোবাসা ও শাবনূরের মনের যন্ত্রণার সমাপ্তি ঘটে মর্মান্তিকভাবে।

 

 

 

 

আনন্দ অশ্রুর অন্যতম সেরা দিক হচ্ছে সিনেমার গান। ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা, হৃদয়ে সুখের দোলা” এবং “তুমি আমার এমনই একজন” গান দুটিকে কালজয়ী বলা হয়ে থাকলে ভুল বলব না।

 

 

 

 

শয়তান মানুষ:

নব্বই দশকে বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে বাণিজ্যিক ছবির একটা জোয়ার বয়ে গেছে। রোমান্টিক, অ্যাকশন, ফ্যামিলি ড্রামা সব ধরনের ছবির একটা স্বর্ণসময় ছিল তখন। অ্যাকশন ছবির মধ্যে যে ছবিগুলো হিট হয়েছিল তার মধ্যে ৯৬-এর ‘শয়তান মানুষ’ অন্যতম।

 

 

 

তখন অামাদের বাণিজ্যিক ছবিতে এমন একটা সময় ছিল রোমান্টিক ছবির নায়করাও অ্যাকশনে ভালো দক্ষতা দেখাতে শুরু করেছিল। ওমর সানী, অামিন খানের মতো নায়করা তখন রোমান্টিক ছবি করত অাবার তাদেরকেই অ্যাকশনে খাপ খাওয়াতেন পরিচালকরা। ‘শয়তান মানুষ’ ছবিতে এ দুজন নায়ককে অ্যাকশনে বেশ ভালো পারফর্ম করেছে।

 

 

 

 

স্বপ্নের ঠিকানা:

স্বপ্নে ঠিকানাকে বলা হয় বাংলা চলচ্চিত্রের বেদের মেয়ে জোসনার পরে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছবি। এই ছবির গানগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পায়। ‘‘এইদিন সেইদিন কোনোদিন’’ ‘‘ নীল সমুদ্র পার হয়ে’’ ‘‘ ওসাথীরে, যেওনা কখনো দূরে’’ এমনি নানা গান। এছাড়া কৌতুক অভিনেতা লিপে এ একটি প্যারেডি গান জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো। ‘‘যদি সুন্দর একখান বৌ পাইতাম’’

 

 

 

তবে এই ছবির মাধ্যমে সালমান শাহ দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন পেতে নেন। আজ সালমান শাহ নেই। তার ভক্তদের কাছে সিনেমার জগতটা বালচরের মতো। সালমান শাহর আরেক সিনেমা থেকে গান নিয়ে বলতে হয়। ‘‘ তুমি আপনের আপন, পরের চেয়ে পর, নিজেই বান্ধিয়া ঘর নিজেই আনো ঝড়, স্বপ্নের ঠিকানা আমার বালুচর, নিজেই বান্ধিয়া ঘর নিজেই আনো ঝড়’’

 

 

 

সত্যের মৃত্যু নেই:

সেরা ব্যবসাসফল তালিকায় তিন নাম্বারে থাকা চলচ্চিত্রটিও সালমান শাহ অভিনীত। ১৯৯৬ সালে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘সত্যের মৃত্যু নেই’ সিনেমাটি। ছবিটির ‘চিঠি এলো জেলখানাতে অনেক দিনের পর’ গানটি সারাদেশজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

 

 

 

বাংলাদেশের সিনেমার ইতিহাসে ১০ কোটির বেশি আয় করা সিনেমার মধ্যে এটিই সর্বশেষ সিনেমা, যেটি ১০ কোটির গন্ডি পেরোতে পেরেছিলো।

 

 

 

শেষকথা:

চলচ্চিত্রে সালমানের আবির্ভাব তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছিল। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে যত নায়কের আবির্ভাব হয়েছিল তাদের মধ্যে সালমান শাহ সবচেয়ে বেশি প্রতিশ্রুতিশীল ছিলেন। যার কারণে কোটি দর্শক আজও প্রিয় নায়ককে একাগ্রচিত্তে স্মরণ করে থাকে।
বাংলা চলচ্চিত্রে সালমান শাহ এর অভাব এখনও ভক্তরা উপলব্ধি করে।

 

 

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএম