ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 4 months ago

রোহিঙ্গা মুসলিমদের দুর্দশা কাটছে না, ভারত রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিতাড়িত করবে



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক:

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের দুর্দশার শেষ নেই। গণমাধ্যম এখন নীরব। আর কোনো উচ্চবাচ্য নেই। যেন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের জীবনের বাঁচামরার সমস্যাটা একদমই দূর হয়ে গেছে। অথচ বাস্তবতা এরকম নয়। নিভুনিভু আগুনের ধোঁয়া আর শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ এখনও তাদের অস্তিত্ব জুড়ে। এখন প্রতিটি দিন কাটছে উদ্বেগে। রাতগুলোতে নামছে আতঙ্কের আর অন্ধকার। কিন্তু দেখার কেউ নেই। পাশে দাঁড়ানো তো অনেক দূরের ব্যাপার!

 

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ বা আরাকানের দুঃখী মুসলমানদের বর্তমান অবস্থাটা এরকমই। গত জুনে তাদের ওপর বয়ে গেছে হত্যা, ধর্ষণ ও আগুনে পোড়ানোর নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ। অসহায় শিকার ছিল তারা। রাখাইন জনগোষ্ঠীর লোকেরা আক্রমণের সূচনা করেছে।

 

পরে মিয়ানমারের সামরিক-আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরাও বন্দুক নিয়ে হামলা করেছে। হামলাকারীরা সবাই সরকারি-বেসরকারি, সামরিক-বেসামরিক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। নৃশংসতায় সবাই ছিল সেখানে একাকার। ঘটনাস্থল মিয়ানমারের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা। রাখাইন প্রদেশের মংডু ও আকিয়াব জেলা।

 

প্রথমে রাখাইন এক নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়। দায়ী করা হয় রোহিঙ্গা এক তরুণকে। এরপর ওই প্রদেশের তাংগোকে শহরে বৌদ্ধ উগ্রপন্থীরা ১০ জন নিরীহ মুবাল্লিগ মুসলমানকে গাড়ি থেকে নামিয়ে হত্যা করে। এর প্রতিবাদ করে মুসলমানরা। রাজধানী ইয়াঙ্গুনেও বিক্ষোভ হয়। ওই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে মংডু জেলায় বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।

জুমার পর পরই রাখাইন বৌদ্ধরা মুসলমানদের উপর হামলা করে। সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ওই সময় নাসাকা সদস্যদের (মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনী) গুলিতে তিন মুসলমান যুবক শহীদ হন। দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে মংডুর পাশাপাশি আকিয়াব জেলাতেও। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানেও আট মুসলমানকে হত্যা করা হয়।

 

এরপর থেকে নারী-পুরুষ, শিশু নির্বিশেষে রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে হত্যা করা হতে থাকে। গ্রামের পর গ্রাম আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বহু মসজিদ ও মাদরাসা। রোহিঙ্গাদের যাকে যেখানে পাওয়া যায় সেখানেই আঘাত করা হয়। এভাবেই চলে যায় প্রায় আট-দশদিন। সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা একশর নিচে হলেও কোনো কোনো সূত্র জানিয়েছে, কয়েক হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা করা হয়েছে।

 

নারকীয় হত্যা ও অগ্নিসংযোগেরে এই চরম মুহূর্তে আহত, অসহায় ও বিপন্ন রোহিঙ্গাদের কোনো কোনো পরিবার নাফ নদী পার হয়ে বাঁচার জন্য বাংলাদেশ সীমান্তে এসে উঠে। তাদের চোখে মুখে একটু আশ্রয় দেওয়ার আকুতি। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ সীমান্ত বাহিনী-বিজিবি বন্দুক তাক করে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়। বেদনার ওপর সে অন্য এক বেদনার পর্ব। সেদিকে যাওয়ার আগে দেখা যাক, রোহিঙ্গাদের দুর্দশার শুরু কিভাবে, আর মুসলমানদের নিয়ে মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ কী করছে?

 

মিয়ানমারের আরাকানে (বর্তমানে রাখাইন প্রদেশ) হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মুসলমানদের বাস। ওই অঞ্চলে নৃতাত্ত্বিক ও স্থানীয় কিছু ঐতিহ্যের কারণে তারাই রোহিঙ্গা নামে খ্যাত। বেশ কয়েকবার এ এলাকাটি আক্রান্ত হয়, স্বাধীনতা হারায়, নির্যাতিত হয়। সে হিসেবে আরাকানে মুসলিম নিধন ও নির্যাতন অনেক পুরানো একটি বিষয়। তবে গত পোনে এক শতাব্দীকালে এই নির্যাতনের মাত্রা অনেক বেড়েছে।

১৯৩৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত মুসলিমদের টার্গেট করে শতাধিক ছোট-বড় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, সহিংসতা ও সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। এ কারণে বহু রোহিঙ্গা স্বদেশত্যাগে বাধ্য হয়। আরাকান সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে এসেও বহু রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয়। ব্যাপক নিপীড়নের শিকার হয়ে ১৯৭৮ ও ১৯৯১ সনে শরণার্থী হিসেবে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা এদেশে আসে এবং শরণার্থী শিবিরে বসবাস করে। তবে বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা পাঁচ লাখের কাছাকাছি। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ইস্যুটি সামনে আসে সেই আশি ও নববইয়ের দশকেই।

 

জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের ‘বিশ্বের অন্যতম নির্যাতিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বড় দেশগুলোর ভূমিকা এরকম মুখের বুলির ওপরই সীমাবদ্ধ। গত জুনের দাঙ্গার সময় বড় কয়েকটি দেশ ও জাতিসংঘ বাংলাদেশের প্রতি বারবার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার আহবান জানালেও মিয়ানমার সরকারের ওপর কোনো চাপ দেয়নি। কেন মিয়ানমারের মতো দেশে এতবড় ও দীর্ঘ সময় ধরে বর্বোরোচিত পন্থায় মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে-এ নিয়ে তারা কোনো কথাই বলছে না।

 

কেবল মৌখিক জমা-খরচটা তারা দৃশ্যমান রাখছে। যেমন গত মধ্য জুনের ঘটনা সম্পর্কে গত ১ আগস্ট এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী ওই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যা, ধর্ষণ ও গণগ্রেফতার করেছে। ওআইসিসহ স্বতন্ত্রভাবে কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রও মিয়ানমারে সংঘটিত ওই দাঙ্গার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। সরকারি পর্যায়ে কোনো কোনো দেশে বিক্ষোভ হয়েছে।

 

তবে, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে মিয়ানমারের ভেতরের চিত্রও সর্বাত্মক হতাশাজনক। তারা সেখানে রাষ্ট্রহীন নাগরিক। তাদের নাগরিকত্বই নেই। বিবাহ, সন্তানধারণ, লেখাপড়া, ব্যবসা-বাণিজ্য, রোহিঙ্গাদের সবকিছুতেই সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও খবরদারি চলে। ১৯৬২ সনে সামরিক সরকার তাদের নাগরিকত্বহীন করেছে।

 

গণতন্ত্রের নেত্রী বলা হয় যে অংসান সূ চিকে, তিনি এবং তার অনুসারীদের কেউ-ই রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার ও নিরাপত্তার পক্ষে কথা বলতে রাজি হননি। রোহিঙ্গাদের যখন হত্যা করা হচ্ছিল সূ চি তখন ‘বকেয়া’ নোবেল পুরস্কার হাতে নিয়ে ইউরোপের দেশে দেশে হাসিমুখে ঘুরছেন।

 

তাকে অসহায় রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি নির্বিকার ভঙ্গিতে বলেন, ‘আমি জানি না।’ গণমাধ্যমের ব্যাপক প্রশ্ন ও তিরস্কারের মুখে পড়ে গত ২৫ জুলাই মিয়ানমারের সংসদে সূ চি সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় আইন প্রণয়নের একটা আহবান রাখেন। তাতে অবশ্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের নিয়ে কিছুই বলা হয়নি।

 

সরকার, প্রশাসন, সামরিক বাহিনী, অ-রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, বিরোধীদল সবাই রোহিঙ্গাদের দুর্দশা ও তাদের উৎখাতের পক্ষে ভূমিকা রাখছে। কোনো বৌদ্ধ-প্রধান রাষ্ট্রের এ জাতীয় পরিচিতি সাম্প্রতিক কালে নতুন। একমাত্র ইসরাঈলেরই এত বহুমাত্রিক ও সবার্তমক সাম্প্রদায়িক একটি ভাবমূর্তি ছিল। মিয়ানমারও সে খাতায় এবার নাম লেখালো।

 

মিয়ানমারের সব পক্ষ ও গোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে যে অমানবিক ও বর্বর একটা অবস্থান গ্রহণ করেছে, তা তো পরিষ্কার হয়ে গেছে। কেউ কোনো রাখঢাক রাখেনি। এদের কেউ কেউ বর্বর হত্যা-ধর্ষণ করেছে। আর সবাই তাতে সমর্থন দিয়েছে। ভেবে দেখা উচিত, এখন যদি রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকেই নিপীড়িত ও সর্বস্ব হারানো কেউ অথবা তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল কোনো মানুষ মিয়ানমারের বুকে-পিঠে প্রতিরোধের শেল বর্ষানো শুরু করে তাহলে তাকে কতটুকু অপরাধী বলা যাবে?

 

শিশু-মহিলা, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ রোহিঙ্গা পরিবারগুলো নৌকায় চড়ে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে চাইলে বাংলাদেশ সরকার কঠোর আবস্থান নেয়। বিজিবি তাদের জোর করে আবার মিয়ানমারে পুশব্যাক করে। বাংলাদেশ সীমান্তে অসহায় ও প্রত্যাখ্যাত রোহিঙ্গা মুসলিমদের কান্নাঝরা চোখের ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে হৃদয়বান প্রতিটি বিবেকে ধাক্কা লাগে। নড়েচড়ে ওঠে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল।

জাতিসংঘ, আমেরিকা, কানাডাসহ পশ্চিমা বিশ্বের বড় কয়েকটি দেশ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসি বাংলাদেশ সরকারের কাছে আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য মানবিক আবেদন করে। দেশের ভেতরে প্রধান বিরোধী দলসহ বিভিন্ন, রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি, ইসলামি সংগঠনগুলোও বন্দুকের নলের মুখে আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গাদের আবারো মিয়ানমারের বধ্যভূমিতে ফেরত না পাঠানোর দাবি জানায়।

কিন্তু এতসব কিছুর পরও আমাদের সরকার তার ‘আমানবিক, অ-কূটনৈতিক ও অ-ভ্রাতৃসুলভ’ সিদ্ধান্তে অটল থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের বিভিন্ন অন্যয্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে দৃষ্টিকটুভাবে নমনীয় হলেও আমাদের সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দেওয়ার সিদ্ধান্তে ‘দৃঢ়তার’ নতুন নিদর্শন স্থাপন করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদসহ বিভিন্ন সংবাদ ব্রিফিং ও বক্তব্যে সরকারের এ অনমনীয় অবস্থানের কথা নানা শব্দে, নানা ভাষায় তুলে ধরেন। যেসব বক্তব্য তিনি দিয়েছেন তার কয়েকটি এখানে তুলে ধরা হল।

 

* ‘মিয়ানমারে কোনো যুদ্ধাবস্থা চলছে না, সে দেশের সরকারও কাউকে বিতাড়িত করছে না। তাই আন্তর্জাতিক কোনো আইনেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে সীমান্ত খুলে দিতে বাংলাদেশ বাধ্য নয়।’

* ‘বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ক্ষতির জন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। আর কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়েও বাংলাদেশ হস্তক্ষেপ করতে পারে না।’

* ‘বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে মিয়ানমার সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে থাকা কিছু রোহিঙ্গা সংগঠনকে একটি রাজনৈতিক দল (জামায়াত ইসলামী) সশস্ত্র।

ভারতে বসবাসরত প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা মুলিমকে দেশছাড়া করতে নরেন্দ্র মোদি সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিরণ রিজিজু। এজন্য ভারত সরকার বিস্তারিত নির্দেশ দিয়ে দিয়েছে বলেও রাজ্যসভায় জানিয়েছেন তিনি।

 

ভারতীয় এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করা এই মুলিমদের বিতাড়ন পর্ব ধারাবাহিকভাবে চলবে।

 

রিজিজু এক লিখিত বিবৃতিতে আরো জানিয়েছেন, ১৯৪৬ সালের ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুসারে অবৈধভাবে ভারতে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিতাড়িত করা হবে। এজন্য কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলো টাস্ক ফোর্স গঠন করারও নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। প্রতিটি জেলা ধরে অবৈধভাবে বসবাসকারী মুসলিমদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, মিয়ানমার থেকে ভারতে গিয়ে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিমের সংখ্যা কমপক্ষে ৪০ হাজার। সমুদ্রপথ ছাড়াও চীন ও বাংলাদেশ হয়ে রোহিঙ্গারা ভারতে প্রবেশ করে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে আসছে। তাদের সঙ্গে দোসর হিসেবে আছে উগ্র বৌদ্ধরা।

 

রোহিঙ্গাদের বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠি বিবেচনা করে জাতিসংঘ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিযোগ, রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে বিনাশ করে দেয়ার চেষ্টা করছে মিয়ানমার সরকার। তাদের ওপর নির্যাতনকে গণহত্যা বলেও আখ্যা দিয়েছেন অনেকে।

 

ভারতে শুধু জম্মুতেই সাড়ে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গার বাস। বাংলাদেশেও তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গা রয়েছে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের হামলার জেরে ২০১২ সাল থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমরা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়। মিয়ানমার সরকারও এই মুসলিমদের সে দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। ১৯৮২ সালে মিয়ানমার নতুন নাগরিক নীতি চালু করলেও রোহিঙ্গাদের কার্যত কোনো দেশ নেই।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এইচএম