ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 3 weeks ago

বিদ্যুৎকেন্দ্রে নাশকতা সৃষ্টি করলে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ কোটি টাকা জরিমানার বিধান



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক:

বিভিন্ন সময়ে জারি করা আলাদা নীতিমালা বা বিধিমালা দিয়েই মূলত বিদ্যুৎ খাত চলেছে। পুরো খাত নিয়ন্ত্রণে একক কোনো আইন না থাকায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে গ্রাহকসহ সংশ্লিষ্টদের।
এবার বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড  বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের সুযোগ রেখে তৈরি হয়েছে বিদ্যুৎ আইন। বিদ্যুৎকেন্দ্রে নাশকতা সৃষ্টি করলে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘বিদ্যুৎ আইন, ২০১৭’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।

 

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ১৯১০ সালের একটি অধ্যাদেশ দ্বারা বিদ্যুতের উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপণন কর্মকাণ্ড চলে আসছিল। বর্তমান বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে নতুন আইনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। এর আলোকে বিদ্যুৎ বিভাগ আইনের খসড়াটি উপস্থাপন করে।
সচিব জানান, আইনের খসড়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন স্থাপনায় স্যাবোটাজ বা নাশকতা বা যেকোনো ধরনের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ কোটি জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে বিচারক কোনোভাবেই আসামিকে সাত বছরের নিচে কারাদণ্ড দিতে পারবেন না।

 

আবাসিক পর্যায়ে চুরি করে বিদ্যুতের সংযোগ নিলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানান শফিউল আলম। তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়েছে, তার দ্বিগুণ অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হবে।

 

বিদ্যুৎ চুরির সাজা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এই আইনে বিদ্যুৎ চুরি করলে যতটুকু বিদ্যুৎ চুরি হয়েছে, তার দ্বিগুণ জরিমানা আদায় করা হবে। পাশাপাশি থাকছে কারাদণ্ডের বিধান।

 

শফিউল আলম বলেন, খসড়া আইনের ৩২ নম্বর ধারায় বিদ্যুৎ চুরির জন্য অনধিক তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা চুরি করা বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ অথবা ৫০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও চুরি করা বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ অথবা পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

 

অন্য যেসব সিদ্ধান্ত

বৈঠকে ‘প্রতিরক্ষা-বাহিনীসমূহের প্রধানদের (নিয়োগ, বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা) আইন ২০১৭’, ‘হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০১৭’, ‘বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০১৭’ এবং ‘খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০১৭’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এইচএম