ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 3 months ago

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জুভেন্টাস



ঘরের মাঠে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ফ্রেঞ্চ ক্লাব মোনাকোকে ২-১ গোলে পরাজিত করে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে জুভেন্টাস। গত তিন বছরে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মত ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

মারিও মানজুকিচের গোলের পরে ব্রাজিলিয়ান উইং ব্যাক ডানি আলভেসের ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত ভলিতে প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। বিরতির পরে তরুন তুর্কী কাইলিয়ান এমবাপের গোলে এক গোল শোধ করে মোনাকো। এই মৌসুমে এমবাপের এটি ষষ্ঠ গোল। কিন্তু গত সপ্তাহে প্রথম লেগে ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা ফ্রেঞ্চ আউটফিটটির কাছ থেকে তেমন কোনো বাস্তবসম্মত হুমকির মুখে পড়েনি জুভেন্টাস।

২০১৫ সালের রানার্স-আপ জুভেন্টাস এই নিয়ে নবমবারের মত ইউরোপের সর্বোচ্চ লিগ আসরের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো। আর তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৩ জুন কার্ডিফের ফাইনালে এ্যাথলেটিকো কিংবা রিয়াল যেকোনো একটি স্প্যানিশ ক্লাবের মুখোমুখি হবার আগে মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রির দল বাড়তি অনুপ্রেরণা পেতেই পারে।

প্রথম লেগের লাইন-আপ থেকে একটি পরিবর্তন করে কাল মূল একাদশ সাজিয়েছিলেন আলেগ্রি। কিন্তু বহিষ্কারাদেশ কাটিয়ে দলে ফেরা জার্মান মিডফিল্ডার সামি খেদিরা মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই পেশীর ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার স্থানে খেলতে নামেন ক্লডিও মারসিজিও। এদিকে অনুশীলনে ইনজুরিতে পড়া নাবিল ডিরার স্থানে বেঞ্জামিন মেনডির ওপরেই আস্থা রেখেছিলেন কোচ লিওনার্দো জারদিম। জুভেন্টাসের ৩-৫-২ ফর্মেশনের বিপরীতে লড়াই করতেই মেনডির অন্তর্ভূক্তি।

এর ফলও ম্যাচের শুরু থেকেই পাওয়া শুরু করে মোনাকো। পাঁচ মিনিটে এমবাপের শট বুফনের পাশ কাটিয়ে অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। যদিও অফ-সাইডের পতাকা আগেই উঁচিয়ে ধরেছিলেন সাইড লাইন রেফারি। স্বাগতিক দর্শকদের অবশ্য উল্লাস করতে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে অবশ্য সফরকারীদের দর্শক বানিয়ে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে জুভেন্টাসই। মোনাকো গোলরক্ষক ড্যানিয়েল সুবাসিচকে একা পেয়ে পাওলো ডিবালা ও তার আর্জেন্টাইন সতীর্থ গঞ্জালো হিগুয়েইন তা কাজে লাগাতে পারেননি। মানজুকিচও প্রায় একই ধরনের সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সুবাসিচের রক্ষার পরে আবারো ডিবালার শট শেষ মুহূর্তে বাইরে পাঠিয়ে দেন আন্দ্রে রাগি। তবে ৩৩ মিনিটে আর শেষ রক্ষা হয়নি। বুফনের থ্রো থেকে ডিবালা বল বাড়িয়ে দেন ডানি আলভেসকে। ডান দিক থেকে আলভেসের ক্রসে মানজুকিচের শট আবারো সুবাসিচ আটকে দিলে ফিরতে বলে ক্রোয়েশিয়ান তারকা বল জালে জড়ান।

এক গোলে পিছিয়ে থেকে মোনাকোর তরুন দলটির শারীরিক ভাষায় পরিশ্রান্ত ভাব ধরা পড়ে। সেই সুযোগে বিরতির ঠিক আগে আলভেসের জোড়ালো ভলি মোনাকো গোলরক্ষকের জন্য একটি বেশিই কঠিন ছিল।

বিরতির আগেই দুই গোলে পিছিয়ে থেকে অনেকটাই ম্যাচ ছেড়ে দেয় মোনাকো। তবে ৬৯ মিনিটে পর্তুগীজ মিডফিল্ডার হুয়াও মোটিনহোর সহায়তায় এমবাপের গোলই শেষ পর্যন্ত মোনাকোর একমাত্র অর্জন হয়ে থাকলো।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে