ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 6 months ago

পাকিস্তানকে ২১২ রানের টার্গেট দিয়েছে ইংল্যান্ড



ক্রীড়া প্রতিবেদক:

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ২১২ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড। আজ বার্মিংহামের এজবাস্টনে স্বাগতিকরা টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৪৯.৫ ওভারে ২১১ রানে ইনিংস গুটিয়ে যায়। জো রুট ৪৬, জনি বেয়ারস্টো’র ৪৩ রান ছিল উল্লেখযোগ্য। পাকিস্তানের হাসান আলী ৩৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করে প্রতিপক্ষের ব্যাটিংলাইনে ধস নামাতে সহায়তা করেন।
যদিও ইংল্যান্ড ব্যাটিংয়ে এসে পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরুটা চমৎকারই করেছিল। কিন্তু সেই ধারাবাহিকতা পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা বজায় রাখতে না পারায় দলটি ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায়। পাকিস্তানি বোলারদের তোপের মুখে তারা লো স্কোর গড়ে তোলেন। যেখানে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে দলীয় স্কোরটা তরতর করে এগিয়ে যাবার কথা সেখানে রানের চাকা সচল করতে পারেনি ইংল্যান্ড। তবুও আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তানের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবার চেষ্টা করেছে স্বাগতিকরা।

 

পাকিস্তানি বোলিংলাইনে ইনজুরির কারণে মোহাম্মদ আমীর দলে নেই। কিন্তু তার অভাব বুঝতে দেননি অপর বোলাররা। বিশেষ করে হাসান আলী এবং রুম্মন রইস ও জুনায়েদ খানের বোলিং তোপের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা।
ইংল্যান্ডের ৫ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৯ রান ছিল। ষষ্ঠ ওভারেই ছন্দপতন শুরু। রুম্মন রইসের বল খেলতে গিয়ে দলীয় ৩৪ রানে বাবর আজমের হাতে তালুবন্দী হন ১৩ রান করা অ্যালেক্স হেলস।

 

এক উইকেট পতনের পর ওয়ানডাউনে নামা জো রুটের সঙ্গে দারুণ জুটি বেধেছিলেন জনি বেয়ারস্টো। কিন্তু সেটিও খুব বেশি স্থায়ী করতে দেননি হাসান আলী। ফলে দলীয় ৮০ রানে তিনি জনি বেয়ারস্টোকে ব্যক্তিগত ৪৩ রানে সাজঘরে ফেরান।

 

তৃতীয় উইকেটে রুট জুটি বাঁধেন অধিনায়ক মরগানের সঙ্গে। কিন্তু রুট ৪৬ রানে আর দলীয় ১২৮ রানে শাদাব খানের বলে সরফরাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন। এরপর দলীয় ১৩ রান যোগ করে মরগানও রুটের পথ অনুসরণ করেন। তিনি ৩৩ রানে হাসান আলীর শিকার হন। এ সময় দলীয় ১৪১ রানে ৪ উইকেটের পতন ঘটে।


এমনকি জস বাটলার পারেননি নামের প্রতি সুবিচার করে খেলতে। মাত্র ৪ রানেই তিনি দলীয় ১৪৮ রানে জুনায়েদ খানের বলে সরফরাজের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। পঞ্চম উইকেটে বাটলারের বিদায়ের পরপরই লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরাও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারেননি। ফলে নিয়মিত উইকেট পতন শুরু হয়।

 

তারই ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠ উইকেটে ১৬২ রানে মোহাম্মদ আলী, সপ্তম উইকেটে ১৮১ রানে আদিল রশিদ, অষ্টম উইকেটে ২০১ রানে স্টোকস, নবম উইকেটে ২০৬ রানে প্লানকেট ও দশম উইকেটে ২১১ রানে উড সাজঘরে ফেরেন।
হাসান আলী ৩৫ রানে ৩টি এবং ৪২ রানে জুনায়েদ খান ও ৪৪ রানে জুম্মন রইস ২টি করে উইকেট লাভ করে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংলাইনকে তছনছ করে দেন।

ফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে পাকিস্তানকে এখন নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২১২ রান তুলতে হবে। হাতে রয়েছে দশ উইকেট। ওভার প্রতি ৪.২৩ করে তুললেই তাদের জয়ের নোঙরে পৌঁছা অসম্ভব নয়।
বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএ