ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 4 months ago

তামিম, সাকিব, মুশফিকরা সাজঘরে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : সবার ধারণা ছিল স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে একটি দুর্দান্ত স্কোর গড়ে তুলবে। কিন্তু আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে টাইগাররা সে পথে হাঁটতে পারছে না। আজ বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে যায়। দলীয় ১ রানে সৌম্য সরকারকে শূণ্য রানে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে বিদায় নেন। এরপর ওয়ানডাউনে খেলতে এসে সাব্বির রহমান অল্প সময়ে রানের চাকাকে সচল করে তুলেছিলেন। কিন্তু তার বেপরোয়া ব্যাটিং দলীয় ৩৬ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। তিনি ভুবন্বেশর কুমারের বল খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ২১ বলে চারটির চারের মারসহ ১৯ রানে আউট হন। সৌম্য ও সাব্বিরের বিদায়ের পর মুশফিকুর রহীমকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে তামিম ১০০ রানের একটি পার্টনারশিপ গড়ে তুলেন। কিন্তু দলীয় ১৫৯ রানে তামিম ব্যক্তিগত ৭০ রানে রবীন্দ্র জাদেজার বল খেলতে গিয়ে সরাসরি বোল্ড আউট হলে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। টাইগারদের তৃতীয় উইকেট পতনের পর মুশফিকের সঙ্গে জুটি বাঁধতে আসেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এদিন সাকিব খুব একটা রান পাননি। তার দায়িত্বশীল ব্যাটিংও চোখে পড়েনি। তিনি দলীয় ১৮২ রানে সাজঘরে ফেরেন। সাকিব ব্যক্তিগত ১৫ রানে বরীন্দ্র জাদেজার বল খেলতে গিয়ে মহেন্দ্র ধোনীর হাতে তালুবন্ধী হন। চতুর্থ উইকেট পতনের পর মাত্র দুই রান পরেই ১৮৪ রানে পঞ্চম উইকেটের পতন হলে বাংলাদেশের ভাল করার সম্ভাবনা ফিকে হতে শুরু করে। মুশফিকুর ব্যক্তিগত ৬১ রানে যাদবের বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফেরেন। মূলত তামিম, সাকিব এবং মুশফিকুরের বিদায়ের পর ফের টাইগারদের ব্যাটিংলাইনে ধস শুরু হয়। এ রিপোর্ট লেখাকালীন সময়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ১৮৪ রান। এ সময় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মোসাদ্দেক হোসেন ব্যাটিং করছিলেন।
বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএ