ব্রেকিং নিউজঃ

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত  ***  টি-টেনে সাকিবদের ম্যাচ আজ রাত দশটায়, তামিমদের বারোটায়  ***  ইংল্যান্ডের ১ম ইনিংসে সংগ্রহ ৪০৩, অস্ট্রেলিয়া ১৮০/৩  ***  টি-১০ লিগে প্রথম হ্যাটট্রিক আফ্রিদির, বিধ্বস্ত শেবাগরা  ***  বিকালে লালদীঘি ময়দানে মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা  ***  মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক  ***  ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে ৩০ কিলোমিটার যানজট  ***  পূর্ব জেরুজালেমে দূতাবাস খুলতে চায় লেবানন  ***  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দুই শিক্ষার্থী ৭দিন ধরে নিখোঁজ  ***  মুন্সীগঞ্জে গজারিয়ায় নামাজে দাঁড়ানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৮
Published: 6 months ago

যুক্তরাষ্ট্র রাক্কায় ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করছে



বুধবার জাতিসংঘের যুদ্ধ অপরাধ তদন্ত দল বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিমান হামলায় ইরাকের রাক্কায় বেসামরিক মানুষ ব্যাপকভাবে হতাহত হয়েছে। রাক্কায় ইসলামী রাষ্ট্রের শক্ত ঘাঁটির ওপর হামলা জোরদার করায় বেসামরিক মানুষের হত্যার মিছিল ভারি হয়েছে। খবর রয়টার্স।

 

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কুর্দি-আরব বাহিনীর কোয়ালিশন জিহাদীর নিকট থেকে রাক্কা দখলে নেয়ার অভিযান শুরু করে এক সপ্তাহ আগে। দি সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স (এসডিএফ) বা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট বিমান হামলার মাধ্যমে রাক্কার পশ্চিম, পূর্ব ও উত্তর অংশ দখলে নিয়েছে। মানবাধিকার কাউন্সিলের নিকট জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান পাওলো ফিনহেরিও বলেন, “আমরা শুধু বলতে চাই না যে, এসডিএফ কোয়ালিশনের বিমান হামলায় বেসামরিক মানুষ ব্যাপক মাত্রায় হতাহত হয়েছে, তা নয়, এই হামলায় ১৬,০০০ বেসামরিক মানুষ অভ্যন্তরীণ শরণার্থী হয়েছে।

 

ফিনহেরিও অবশ্য রাক্কায় কত পরিমাণ বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছে তা নিশ্চিত করেনি। কোয়ালিশন ফোর্স ইসলামী স্টেটের নিকট থেকে রাক্কা দখলের জন্য হামলা করছে। অন্যদিকে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী মরু রাক্কার পশ্চিম শহরের দিকেও অগ্রসর হচ্ছে।

 

পৃথকভাবে মানবাধিকার ওয়াচ বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন রাক্কার জনঅধ্যুষিত বেসামরিক এলাকায় ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করার কারণে। ইসলামী স্টেট লক্ষ্য করে ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করার কারণে বেসামরিক মানুষের জীবন বিপদগ্রস্ত হয়েছে অধিকমাত্রায়।

 

জেনেভায় ৪৭ সদস্যের ফোরামের বক্তৃতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি রাক্কায় বিমান হামলার বিষয়ে কোনো উদ্ধৃত দেয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি জ্যাসন ম্যাক সিরিয়ার সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘনকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

 

ফিনহেরিও বলেন, যদি কোয়ালিশন বাহিনী ইসলামী জিহাদীদের নিকট থেকে রাক্কা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয় তবে সেখানকার বেসামরিক মানুষকে মুক্ত করতে পারবে। বিশেষ করে রাক্কার ইয়াযেদি মুসলিম নারী-শিশুকে মুক্ত করতে সক্ষম হবে- যাদের ইসলামী স্টেট সন্ত্রাসীরা ৩ বছর ধরে যৌনদাসী করে নিরব প্রতিকারহীন গণহত্যা চালাচ্ছে।

 

তিনি বলেন, “রাক্কায় সাধারণ মানুষের জীবনের বিনিময়ে বিজয় অর্জন কোয়ালিশনের উদ্দেশ্য নয়। রাক্কার যেখানে সাধারণ মানুষ আইএসআইএসের কবল থেকে মুক্ত হয়ে আসতে পারছে না তাদের হত্যা করা হবে না।”

 

ফিনহেরিও বলেন, সিরিয়ার সরকার ও অস্ত্রধারীদের মধ্যে ১০টি চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে, আইএসআইএস অধিকৃত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ ও কোয়ালিশন যোদ্ধাদের উদ্ধার করার বিষয়। বিশেষ করে পূর্ব আলোপ্পোর গত ডিসেম্বরের কথা বলতে হয় ,যেখানে কোনো উপায় ছিলো না, যে কারণে সেখানে যুদ্ধটি গুরুতর যুদ্ধ অপরাধে রূপ নেয়।

 

জেনেভায় জাতিসংঘে সিরিয়ার রাষ্ট্রদূত হোসাম ইদিন আইইলা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশনকে সিরিয়ার অবকাঠামো ও বেসামরিক মানুষ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর নিন্দা জানান। ভেইর আল মেরে ৩০ বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/মসি খাঁ