ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 6 days ago

সেপ্টেম্বরে ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক:

মায়ান ক্যালেন্ডারে ২০১২-এ পৃথিবী ধ্বংসের কথা বলা হয়েছিল। জটিল মায়ান লিপি থেকে এটুকুই বোঝা গিয়েছিল। হিসেবে উনিশ-বিশ হতেই পারে। ২০১২টা ২০১৭ হলে নিবিরুর কাহিনি নিয়ে আবার জল্পনা তুঙ্গে উঠতে পারে। মায়ান প্রফেসির পাশে দাঁড়িয়েছে স্বয়ং নাসা।

 

এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী সূর্যগ্রহণই বিশ্বের ‘শেষ দিন’ হতে পারে।

 

পৃথিবীর বুকে গ্রহাণুর আছড়ে পড়া কোনও কল্পবিজ্ঞান বা চলচ্চিত্রের বিষয় নয়। যে কোনও দিন তা বাস্তবে ঘটতেই পারে। বিশেষত নিবিরু নামে একটি গ্রহাণু’র আছড়ে পড়া নিয়ে জল্পনা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। এই গ্রহাণুই যে পৃথিবী ধ্বংসের কারণ হতে পারে, তা-ও মনে করেন বিজ্ঞানীরা। এ প্রসঙ্গেই সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বিশ্বের কয়েকজন কন্সপিরেসি থিয়োরিস্ট। তাঁদের দাবি সত্যি হলে বিশ্ববাসীর হাতে আর সময় রয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহ।

 

এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী সূর্যগ্রহণই বিশ্বের ‘শেষ দিন’ হতে পারে। খ্রিস্টান নিউমারোলজিস্ট ডেভিড মিডে আশঙ্কা করছেন, রহস্যময় গ্রহাণু নিবিরু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে দ্রুত গতিতে। এই সেপ্টেম্বরেই তা আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীর উপরে। এই যুক্তির স্বপক্ষে বাইবেলের বেশ কিছু পাতাকে তুলে ধরেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, নাসা এর আগে নিবিরুর অস্তিত্বকে ‘ইন্টারনেট গুজব’ বলেই উড়িয়েছিল। যদিও বহু মানুষই এর অস্তিত্বতে বিশ্বাস করেন এখনও। ডেভিড দাবি করছেন, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর নিবিরু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার আগে তাকে দেখা যাবে আকাশে।

 

আজ থেকে প্রায় ২৫ হাজার বছর আগে ‘অনুন্নাকি’ নামে এক জাতি, নিবিরু নামে এক গ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসেছিল। মূলত শিক্ষাদানের জন্যই এসেছিল তারা। কিন্তু ধরাধামের মনুষ্যজাতির মাথায় সেই জ্ঞান কতখানি ঢুকেছিল, তা বলা খুবই কঠিন। তবে, এটা ঠিক যে, নিবিরু গ্রহের নাম আমাদের পাঠ্যপুস্তকে না থাকলেও, তার অস্তিত্বের কথা জানিয়েছিল মায়া সভ্যতা।

 

নিবিরু গ্রহ ও মায়া সভ্যতার এক বিশেষজ্ঞ, জেমস ম্যাককেনির মতে, প্রায় ১০ হাজার বছর আগে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল সভ্যতা। কারণ নিবিরু খুব কাছে চলে এসেছিল পৃথিবীর। উদাহরণ স্রূপ দক্ষিণ আমেরিকার কিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়া শহরের কথা বলেন তিনি।

 

কয়েকদিন আগে নাসার তরফ থেকে আমাদের সৌরমণ্ডলের দ্বাদশ গ্রহের অস্তিত্বের কথা প্রকাশিত হয়। এই গ্রহটিই নিবিরু, যার অর্থ ‘প্ল্যানেট অফ ক্রসিং’। সংশয়ের ব্যাপার হল, অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ যেমন ‘হরাইজন্টাল’, নিবিরুর ‘ইলিপটিক্যাল’। তাই মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে আসতে এর সময় লেগেছিল ৭লক্ষ ৫০হাজার বছর।

 

প্রসঙ্গত, মায়া সভ্যতা বিশেষজ্ঞ জেমস ম্যাককেনির মতে, প্রায় ১০ হাজার বছর আগে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল সভ্যতা। কারণ নিবিরু খুব কাছে চলে এসেছিল পৃথিবীর। উদাহরণস্বরূপ দক্ষিণ আমেরিকার কিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়া শহরের কথা বলেন তিনি। মায়ান ক্যালেন্ডারে ২০১২-তেই পৃথিবী ধ্বংসের কথা উল্লেখ ছিল। তবে সেবার হিসেব মেলেনি। নিবিরুর কাহিনি সত্যি হলে এবার তা ঘটবে কি না, তা অবশ্য সময়ই বলবে।

 

পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছিল নাকি এই নিবিরু থেকেই! জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, বৃহস্পতি ও মঙ্গলগ্রহের মাঝে তিয়ামত নামে একটি গ্রহ ছিল প্রায় ৫,১০০ লক্ষ কোটি বছর আগে। নিবিরুর চাঁদের সঙ্গে তিয়ামতের ধাক্কা লাগায় গ্রহটি দু’টুকরো হয়ে যায়, যার এক টুকরো মঙ্গলের চাঁদ হয়। অন্য টুক রোটিই নাকি আমাদের পৃথিবী। অন্যভাবে বলতে গেলে, সৃষ্টিকর্তাই কি ধ্বংসের কারণ হবে? অপেক্ষায় রইল পৃথিবীবাসী।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এইচএম