ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 6 months ago

চাঁদপুরে মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে আনন্দ বাজারসহ শতাধিক বাড়ি



চাঁদপুর প্রতিনিধি:

চাঁদপুর শহরতলীর প্রাচীনতম আনন্দ বাজার। যেখানে ইলিশ বিক্রির অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি। সেই প্রাচীন বাজারটি এখন মেঘনার ভাঙনে বিলীন হতে বসেছে। একই সাথে এলাকার শতশত বাড়িঘর বিলীন হচ্ছে। অথচ ভাঙন প্রতিরোধে কোনো বিভাগেই ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আশ্বাসও নেই। ক্ষোভ দেখা দিয়েছে ওই এলাকার জনগণের মাঝে।

 

ইতোমধ্যে প্রাচীনতম আনন্দ বাজারের অনেকাংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে এলাকার বহু বসতঘর তলিয়ে গেছে। বর্তমানে অনেক বসতঘর হুমকির মুখে রয়েছে। স্থানীয়ভাবে লোকজন ভাঙনরোধে কচুরীপানা ও ছোট গাছের ঝুপড়ি দিয়ে নদীপাড় রক্ষা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত আজিজুল হক হাওলাদার জানান, গত কয়েক দিন ধরে মেঘনার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনে প্রাচীনতম আনন্দ বাজার বিলীন হচ্ছে। অনেক বসতঘর বিলীন হয়েছে। প্রতিদিনই নিজস্ব উদ্যোগে অর্থ ব্যয় করে ভাঙনরোধে চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু ভাঙন বন্ধ হয়নি।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন জানান, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লোকজনের মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগই জেলে পরিবার। বাকিরাও বিভিন্ন পেশায় শ্রমজীবী হিসেবে কাজ করেন। নদী ভাঙনরোধে সরকারিভাবে ব্যবস্থা করা না হলে এসব মানুষ ছিন্নমূল হয়ে পড়বে।

 

আনন্দ বাজার এলাকার ইউপি সদস্য রুহুল আমিন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড  কর্তৃপক্ষ ভাঙন প্রতিরোধে প্রায় ৬শ’ মিটার এলাকার জন্য একটি ডিজাইন তৈরি করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। গত দু’দিনের ভাঙনে প্রাচীনতম আনন্দ বাজারের অনেকাংশ ভেঙে মেঘনায় বিলীন হয়েছে।

 

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদেরকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো হয়েছে।

 

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান জানান, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে