ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 4 months ago

চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীর পানি কমেছে: বাড়ছে জনদুর্ভোগ



কক্সবাজার প্রতিনিধি:

চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদী থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি কমতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে থাকার ফলে উপজেলার হাজারো পরিবার এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

 

বুধবার দিনভর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারণে উপজেলার জনজীবনে নেমে আসে স্থবিরতা। অধিকাংশ এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যহত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে সবজি ক্ষেত ও গ্রামীণ সড়ক-উপসড়ক। বেড়ে চলছে জনদুর্ভোগ।

 

সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আজিমুল হক আজিম জানিয়েছেন, টানা ভারি বর্ষণের কারণে রোববার সকালে মাতামুহুরী নদীতে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামে। পানির প্রবল স্রোতে তাঁর ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা তলিয়ে যায়। তবে গতকাল সকাল থেকে ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও লোকজন চরম দুর্ভোগে রয়েছে।

 

চকরিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাতে মাতামুহুরী নদীতে ঢলের কারণে পৌরসভার একাধিক স্থানে বেড়িবাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। নদীর ঢলের পানি লোকালয়ে ঢুকে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের অন্তত ২০ হাজার জনসাধারণ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। গতকাল সকাল পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নেমে যেতে শুরু করেছে। তারপরও বেশিরভাগ এলাকার লোকজন চলাচলে এবং স্বাভাবিক জীপনযাপনে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

 

কাকারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ওসমান জানিয়েছেন, ভারি বর্ষণের কারণে নদীতে ঢলের পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় তার ইউনিয়নে নদীর তীরবর্তী বেশিরভাগ এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। এখনো ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

 

চিরিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার জানিয়েছেন, মাতামুহুরী নদীতে পাহাড়ি ঢলের কারণে বিভিন্ন শাখা খাল ও স্লুইচ গিয়ে দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে নদীর পানি। গতকাল সকাল থেকে পানি নেমে গেলেও দুর্ভোগের রয়েছে ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকার লোকজন। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নদীতে ঢলের পানি গতি বাড়বে। এ অবস্থায় উপকূলের একাধিক বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ার পাশাপাশি মৎস্য প্রকল্পসমূহ পানিতে ভেসে যেতে পারে।

 

বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান জালাল আহমদ সিকদার জানিয়েছেন, ঢলের প্রভাবে তাঁর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, পহরচাঁদা অংশে বেড়িবাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে লোকালয়ে ঢুকছে ঢলের পানি। গতকালও ইউনিয়নের বেশিরভাগ নিচু এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে