ব্রেকিং নিউজঃ

বাংলাদেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট দল ঘোষণা  ***  রাস্তার ধারে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! প্রাণ হারালেন ৪ সেনা, আহত ৬  ***  ঢাবি ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত  ***  রোহিঙ্গা নির্যাতন, গণহত্যায় আন্তর্জাতিক গণআদালতে দোষী সাব্যস্ত হলেন সু চি ও সেনাপ্রধান  ***  দেশে ফোর-জি নেটওয়ার্ক সার্ভিস চালু হবে আগামী ডিসেম্বরে : তারানা হালিম  ***  বার্মায় রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলা  ***  ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় জবাব দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট  ***  শ্যামপুরে আগুনে পুড়ে দগ্ধ একই পরিবারের ৫ জন, যেভাবে আগুন লাগে  ***  ভারতের কাছে ৫০ রানে হেরে গেল অস্ট্রেলিয়া  ***  প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ ২৮৫ রানে এগিয়ে
Published: 4 months ago

নিষিদ্ধ হলেও চাঁদপুরে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে কারেন্ট জাল



চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরে মেঘনা-পদ্মাসহ বিভিন্ন নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে অবাধে ধরা হচ্ছে বিভিন্ন জাতের ছোট ছোট মাছ। জেলা-উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মুক্ত জলাশয়, খাল-বিল, নদী-নালা মৎস্য সম্পদে ভরপুর ছিল। কিন্তু কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহারের ফলে দিন দিন মুক্ত জলাশয়, খাল-বিল, নদী-নালা মৎস্যশূন্য হয়ে পড়ার কারণে সর্বত্র যেন মাছের আকাল। অতি ক্ষুদ্র ফাঁসের এ জালের ফাঁদ দিয়ে মৎস্য প্রজাতির কোনো পোনাই যেনো রক্ষা পাচ্ছে না। দিনের পর দিন এ নিষিদ্ধ জাল দিয়ে অসাধু জেলেরা ছোট ছোট মাছ ধরছে অবলীলায়।

চাঁদপুর জেলায় মেঘনা অঞ্চল ইলিশ প্রজননের অন্যতম কেন্দ্র । তাই ডিমওয়ালা ইলিশ ও ছোট ইলিশ জাটকার পাশাপাশি পাঙ্গাস, টেংরা, মাগুর, ভেটকি, কাইন, বাইলা, চেনা, পোয়া, চিনা, ঢেলা ছাড়াও রয়েছে এখানে হরেক প্রজাতির মাছ। মৎস্য আইন অমান্য করে অবৈধভাবে নির্বিচারে কারেন্ট জাল ব্যবহার করে বিভিন্ন জাতের ডিমওয়ালা মাছ দিয়ে নিধন চলছে। মৎস্য আইনে কারেন্ট জাল, বাধাজাল, চটজালসহ ছোট ভাসের জাল ব্যবহার করে পোন ও ডিমওয়ালা মাছ নিধন নিষিদ্ধ থাকলেও আইনকে তোয়াক্কা না করে পোনা মাছসহ ডিমওয়ালা মাছ নিধনের মহোৎসব চলছে এ এলাকায়। অসাধু মৎস্যজীবীরা এ সব পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ বিভিন্ন বাজারে অবাধে বিক্রি করছে। সে কারণে মাছের বংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে না। অপরদিকে দিন দিন মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।

২০০৫ সালে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে আদালত কারেন্ট জাল উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার সম্পূর্ণ অবৈধ ঘোষণা করেন। অথচ চাঁদপুরে এর ব্যবহার হচ্ছে প্রকাশ্যে। চারদিকে নদীঘেরা মেঘনা-পদ্মা ও ধনাগোদা নদীর বেশিরভাগ জেলে কারেন্ট জাল ব্যবহার করেই মাছ শিকার করছে। সুতার জালের চেয়ে কারেন্ট জালের দাম অনেক কম হওয়ায় এর ব্যবহারে বেশি আগ্রহী জেলেরা।

কয়েকজন জেলে জানায়, এক পাউন্ড কারেন্ট জাল মাত্র ৮শ থেকে ১ হাজার টাকায় পাওয়া যায়। অথচ সুতার জালের দাম তার দ্বিগুণ। এ জন্য কারেন্টজাল দিয়েই আমরা মাছ ধরি। তাছারা হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় কারেন্ট জাল। চারদিকেই যেহেতু নদী তাই চারদিকের বাজারগুলোতেও খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে কারেন্ট জাল।

মৎস্যজীবি সমিতির নেতারা জানায়, প্রতি বছরই কারেন্ট জাল ব্যবহার বন্ধে আমরা দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু জেলেরা দাম কম ও হাতের নাগালে পায় বলেই এই কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধ হচ্ছে না।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে