ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 2 months ago

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় চরম অবনতি



সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় চরম অবনতি হয়েছে,ডাক্তার না’থাকায় বন্ধপ্রায় হাসপাতালের করোনারী কেয়ার ইউনিট “
দেশের দক্ষিণ পশ্চিমের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। এই জেলায় ২২ লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস। সুচিকিৎসা না’পাওয়াই  সাতক্ষীরার ২২ লাখ মানুষের সাস্ত ঝুঁকিতে ।
আওয়ামী সরকারের প্রথমে চিকিৎসা সেবায় সারাদেশে বিপ্লব ঘটেছিল। সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরার চিকিৎসা সেবায় উন্নয়ন হয়েছিলো ব্যাপকভাবে।
সে সময় লোক মুখে শুনাযেতো ইন্ডিয়া বা বিদেশে আর নয়,দেশের চিকিৎসা সেবা অনেক উন্নত ।
আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় দফায় সরকার গঠনের পর সারাদেশে সরকারের চিকিৎসা সেবা ধিরে ধিরে অবনতি পথে ধাবিত হয়। সেই সাথে সাতক্ষীরার চিকিৎসা সেবাতেও চরম অবনতিতে পৌঁছে গেছে।
তার প্রমাণ সাতক্ষীরার সদর হাসপাতাল । সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। ২৭ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ১৭ জন। নেই এ্যানেসথেসিয়া, চক্ষু, সার্জারি, প্যাথলজি ও র্যাডিওলজি বিশেষজ্ঞ। নেই প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ।
চিকিৎসা নিতে আসা হাজার হাজার রুগি ফিরে যাচ্ছে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা না’পেয়ে।
টাকা আছে যার সে চলে যাচ্ছে ঢাকা, খুলনা অথবা ভারতে উন্নত চিকিৎসার জন্য। সাধারণ মানুষ চিকিৎসার জন্য যাচ্ছে অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে ওঠা ভুয়া ডাক্তার দ্বারা পরিচালিত বেসরকারি ক্লিনিক গুলোতে।
বিশেষ করে জেলার হৃদরোগে আক্রান্ত রুগিদের চিকিৎসা পাওয়ার একমাত্র স্থান সদর হাসপাতালের করোনরী ইউনিট (সিসিইউ)। এই করোনারী ইউনিটে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না’থাকায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ব্যবহার না’করে নষ্ট হয়েগেছে করোনারী ইউনিটের ইমো, ইটিটি ম্যাশিন সহ মূল্যবান সব চিকিৎসা সামগ্রী।
করোনারী ইউনিটে তবুও প্রতিদিন হৃদরোগে আক্রান্ত রুগিরা আসছে চিকিৎসা নিতে। তাদের বেঁচে থাকাটা নিরভর করতে হচ্ছে ভাগ্য বিধাতার উপরে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ নাকরার সত্যে বলেন করোনারী ইউনিট (সিসিইউ) তে যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন তারা উপরে যোগাযোগ করে মেডিকেল কলেজে যোগদান করায় এই বিভাগে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শুন্য। তিনি বলেন মেডিকেল কলেজে জনবল কম থাকায় সম্পূর্ণ ভাবে চালু হয়নি চিকিৎসা সেবা। এসুযোগে ওইসব ডাক্তারগণ আগে যে সময়ে হাসপাতালে রুগি দেখতেন এখন সে সময়ে বেসরকারি ক্লিনিকে রুগি দেখছেন মেডিকেল কলেজের বেতনতো আছেই।
সাতক্ষীরার ২২ লাখ মানুষের স্বপ্নের মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও জনবল কম থাকয় সম্পূর্ণ রুপে চালু হয়নি চিকিৎসা সেবা। সেখানেও দুর্নীতির করণে বন্ধ হয়ে আছে সবরকম নিয়োগ।
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রুগি, সাতক্ষীরার সাধারণ জনগণ ও সুশীল নাগরিক সবাইর বরাবরই চাওয়া সরকারের কাছে নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার।
বাংলাদেশকে সুখী সমৃদ্ধ স্বনির্ভর ও ডিজিটালদেশ হিসেবে গড়তে হলে অবশ্যই সরকারকে উন্নত চিকিৎসা সেবা ও নাগরিকের সুসাস্ত নিশ্চিত করতে হবে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু করে জেলার ২২ লাখ মানুষের সুচিকিৎসা ও সুসাস্ত নিশ্চিত করতে প্রধান মন্ত্রীর কাছে আবেদনও করেছেন অনেকে।
বাংলা রিপোর্ট ডটকম/
হাসানউল্লাহ,সাতক্ষীরা