ব্রেকিং নিউজঃ

এবার সু চির খেতাব ফিরিয়ে নিল ‘ডাবলিন সিটি কাউন্সিল’  ***  রোনালদো-বেলের গোলে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ  ***  নেতাকর্মীদের নিয়ে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে বেগম খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা  ***  ব্লগার নিলয় হত্যার প্রতিবেদন দাখিল ২৪ জানুয়ারি  ***  ঢাবির প্রশ্ন ফাঁসে রাবি ছাত্রসহ আটক ১০  ***  টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে অগ্নিকাণ্ডে স্কুলসহ ২৫ দোকান পুড়ে ছাই  ***  জেরুজালেমকে ট্রাম্পের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন : আব্বাস  ***  ঘন কুয়াশায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ  ***  মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা  ***  ট্রাম্পের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান, জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলো ওআইসি
Published: 7 months ago

১৩ বছর পরও কাফনের কাপড়সহ অক্ষত কোরআনে হাফেজের লাশ!



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক

২০০৪ সালে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান কুমিল্লার এক কোরআনের হাফেজ। ইসলামী রীতি মেনে তার দাফনও করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ ১৩ বছর পর অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে সেই হাফেজের মরদেহ। এমনটাই জানিয়েছেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়নের খানাতুয়া গ্রামের বাসিন্দারা।

জানা গেছ, ওই কোরআনে হাফেজের নাম মোহাম্মদ মাসুদ। ১৩ বছর বয়সে তিন কিডনি রোগে মারা যান। তিনি খানাতুয়া গ্রামের মৃত মোখলেছুর রহমানের পাঁচ ছেলের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে কোরআনে হাফেজ মোহাম্মদ মাসুদ ১৩ বছর বয়সে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ওই সময় চারদিকে বন্যার পানি বেশি থাকায় তাকে গ্রামের বিরার পুকুর পাড়ে দাফন করা হয়। দাফনের দীর্ঘ ১৩ বছর পর গত ১৪ মে পুকুর পাড়ের মাটি ভেঙে মাসুদের মৃতদেহটি পুকুরে পড়ে যায়।

এ সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে লাশটি পানি থেকে উঠান। ১৩ বছর পরও কাপনের কাপড় অক্ষত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেন। পরে এলাকাবাসী পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশটি পুনরায় দাফন করেন।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ মাসুদের কবর দেখতে খানাতুয়া গ্রামে ভিড় করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও লাশের ছবি পোস্ট করে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শাহ্ আলম নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের জানান, আমরা লাশটি পুকুরে পড়ে থাকতে পাই। পরে লাশটি উঠিয়ে পুনরায় দাফন করি। ১৩ বছর পরও কাপনের কাপড় একেবারে অক্ষত দেখে অবাক হয়ে যাই।

মৈশাতুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান, বিষয়টি শুনেছি। এটি সত্যি অলৌকিক ঘটনা।

এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ‘যে পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া থাকার কথা ছিল ওই মাটিতে সম্ভবত ছিল না। একটি লাশ দাফনের সময় যদি কোনো প্রকার অতিরিক্ত মেডিসিন বা কেমিকেল ব্যবহার করে থাকে তাহলে পোকামাকড় আক্রমণ করতে পারে না। এসব ব্যবহারে ওই লাশ একশত বছরও অক্ষত থাকা সম্ভব।’

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমইচআর