ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 2 months ago

পাহাড়ী বনের অস্তিত্ব ধরে রাখা জরুরী : বৃষ কেতু চাকমা



রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, পাহাড়ী বনের অস্তিত্ব ধরে রাখা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে। এজন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের গ্রামীণ সাধারণ বনগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। কালের পরিবর্তন ও জনসচেনতার অভাবে বনাঞ্চলে বিরাট প্রভাব পড়ছে।

মঙ্গলবার রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে বেসরকারি সংগঠন জাবারাং কল্যাণ সমিতি, টংগ্যা এবং হিউম্যানিটারিয়ান-এর উদ্যোগে আয়োজিত পার্বত্য ভিসিএফ সম্মেলন উদ্বোধনকালে বৃষ কেতু চাকমা এসব কথা বলেন।

বৃষ কেতু চাকমা বলেন, বর্তমানে পার্বত্যাঞ্চলের বনাঞ্চলে শত বছরের বৃক্ষ আর দেখা যায় না। এতে যেমন একদিকে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে। তাই পাহাড়ের বনের পরিমাণ বাড়াতে হলে মানুষের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। একই সাথে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামীণ বনায়নের প্রতিও নজর দিতে হবে। তাই পাহাড়ি গ্রামের হেডম্যান-কার্বারীদেরও এ জনসচেতনতায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান তিনি ।

বান্দরবানের আলীকদম ২৮৭নং তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ এর কর্মকর্তা বিল্পব চাকমা এবং টংগ্যা’র নির্বাহী পরিচালক বিল্পব চাকমা।

পরে অতিথিরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফলদ ও বনজ চারা রোপণ করেন।

সম্মেলনে তিন পার্বত্য জেলার প্রায় দেড় শতাধিক ভিসিএফ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে