ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 5 months ago

শৈলকূপায় ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে জনদুর্ভোগ চরমে!



রফিক মন্ডল , ঝিনাইদহ থেকে

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন এ সব ব্রিজগুলো নির্মাণ না করায় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। সম্প্রতি শৈলকূপার হাটফাজিলপুর পাঁচপাখিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে আগুন লাগলে ব্রিজ ভাঙার কারণে দমকল বাহিনীর সদস্যরা সেখানে পৌছাতে ব্যর্থ হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, শৈলকূপার বিভিন্ন সেচখাল ও এলজিইডির রাস্তার ওপর নির্মিত কালভার্ট ও ব্রিজগুলোর মাঝামাঝি অংশ ভেঙে পড়েছে। পাচপাখিয়া গ্রামের ব্রিজটি অনেকদিন হলো ভেঙে আছে। কিন্তু মেরামতের উদ্যোগ নেই। কুমিরাদহ বিশ্বাসপাড়ার কাছে সেচখালের ব্রিজের অবস্থাও একই রকম। পাইকপাড়া লাঙ্গলবাঁধ সড়কের কালভার্টটির ওপর দিয়ে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে বলে এলাকাবাসী জানায়।

নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নের বাকড়ি ও সাহাবাসপুর গ্রামের দুইটি ব্রিজ কয়েক বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। জুগনী ও বগুড়া খালপাড়ার ক্যানালের ব্রিজ দুইটি ভেঙে যানবাহন চলাচল করতে পারে না। এ ভাবে শৈলকূপার বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় বেশ কয়েকটি ব্রিজ ও কালভার্ট ভেঙে পড়ে আছে, কিন্তু মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই। উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ক্যানেলের ব্রিজটি আংশিক ভেঙে বিপজ্জনক অবস্থায় দাড়িয়ে আছে। সড়কটি এখন চলাচলের অনুপোযোগী।

এলাকাবাসী জানায়, এটি শৈলকূপা-হাটফাজিলপুর ও আবাইপুরের একমাত্র সংযোগ সেতু। স্থানীয়ভাবে এটা ধামখোল ব্রিজ বলে পরিচিত। এই ব্রিজ দিয়ে হাটফাজিলপুর থেকে শৈলকূপা, ঝিনাইদহ হয়ে যাত্রীবাহী বাস সরাসরি খুলনায় যাতায়াত করে। এছাড়াও মালবাহী ছোট-বড় পরিবহন চলাচলতো আছেই। বেশ কিছুদিন যাবৎ আংশিক ধ্সে পড়া ব্রিজটি যেকোনো সময় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে প্রাণহানি ঘটতে পারে।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে