ব্রেকিং নিউজঃ

যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্যদিয়ে সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত * জাতীয় ঈদগাহ মাঠে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায় * জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত * কড়া নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত * নড়াইলে ঈদের নামাজ আদায় করলেন মাশরাফি * মাগুরায় সাকিবের ঈদের নামাজ আদায় * ঈদ শান্তি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলে : রাষ্ট্রপতি * শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদযাপিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সন্তোষ প্রকাশ * বাংলাদেশের অপেক্ষায় ডি ভিলিয়ার্স * ইংল্যান্ডের সিরিজ জয় * সাতক্ষীরায় ঈদ জামাতে ক্রিকেটার মোস্তাফিজ * আওয়ামী লীগ থেকে মুক্তি চায় মানুষ : খালেদা * রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে উপচেপড়া ভিড় * ঈদের নৈশভোজ বাদ দিলেন ট্রাম্প

চুয়াডাঙ্গায় ভোজন বিলাসের ‘পাটিশাপটা’ চাহিদার শীর্ষে



চুয়াডাঙ্গা থেকে হোসেন জাকির:

ভোজন রসিক বাঙালির ইফতার মানেই নানা পদের খাবারের সমাহার। সেসব খাবারের মধ্যে এলাকাভেদে বিশেষ কিছু খাবার সবসময়ই চাহিদার শীর্ষে থাকে। যেমন চুয়াডাঙ্গার রোজাদারদের কাছে ভোজন বিলাসের ‘পাটিশাপটা’র চাহিদা কিছুটা বেশি। ইফতারে নানাপদের খাবারের সাথে পাটিশাপটা না থাকলে মন ভরে না অনেকের। এরসাথে অনথনের চাহিদাও রয়েছে বেশ।

 

চপ, পিয়াজু, বেগুনি, ছোলা, শাহীজিলাপীসহ চুয়াডাঙ্গার বাজারে বেশকিছু আকর্ষণীয় ইফতার আইটেম পাওয়া যায়। এরমধ্যে ডিমচপ, মাংসচপ, চিংড়ীচপ, পাকোড়া, কিমাপুরী, পটলচপ, চিকেনফ্রাই, শাহীসিঙ্গারা, কাটিকাবাব, শাহী হালিম, স্পেশাল হালিম, বোরহানী ইত্যাদি। ইফতারে মুখরোচক এসব খাবারকে ছাপিয়ে পাটিশাপটা ও অনথন রয়েছে চাহিদার শীর্ষে।

 

চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের ভোজন বিলাসের স্বত্বাধিকারী এএনএম আরিফ বলেন, ইফতারে চুয়াডাঙ্গাবাসী যেসব খাবার খেয়ে থাকেন তার মধ্যে পাটিশাপটা ও অনথনের চাহিদা খানিকটা বেশি। আমরা প্রতিদিন যে পরিমাণ পাটিশাপটা ও অনথন তৈরি করি চাহিদা সবসময়ই তারচেয়ে বেশি থাকে। প্রায়দিনই পাটিশাপটা ও অনথন না পেয়ে ফিরে যান অনেকে।

 

তিনি আরো বলেন, আমাদের খাবারের মান ভালো, দামে কম। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে আমরা এগুলো তৈরি করি। এজন্য বেশিরভাগ মানুষ ভোজন বিলাসের পাটিশাপটাসহ অন্য পদের ইফতারী কিনে থাকে।

 

ভোজন বিলাস ছাড়াও শহরের ফুড গার্ডেন, হোটেল আল-আমিন, হোটেল শিমরান, ঢাকা বিরিয়ানী হাউজসহ বেশ কিছু খাবারের হোটেল জেলাবাসীর ইফতারের চাহিদা পূরণ করে থাকে। এর সাথে রয়েছে ফুটপাতের কিছু দোকান।

 

ফুড গার্ডেনের স্বত্বাধিকারী খন্দকার পরাগ বলেন, প্রচলিত ইফতার আইটেমের সাথে আমরা বোরহানী, স্পেশাল হালিম, চিকেনফ্রাই ও পাটিশাপটা করে থাকি। সবগুলোই জেলাবাসীর প্রিয় ইফতারের তালিকায় থাকে।

 

চুয়াডাঙ্গা শহরের পোস্ট অফিসপাড়ার বাসিন্দা মশিউর রহমান ইফতার কিনতে এসে জানান, আমরা প্রায়ই ইফতারে পাটিশাপটা অথবা অনথন রাখি। এগুলো জেলাবাসীর চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। একসময় পাটিশাপটা বাড়িতেই বানানো হতো। এখন শহরের কয়েকটি দোকানে পাটিশাপটা পাওয়া যায়। এজন্য বাড়িতে তৈরির প্রচলন কমে আসছে।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে