ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 4 months ago

সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রধান ঘাতক ইনানী খালের স্লুইসগেট



কক্সবাজার প্রতিনিধি:

ঘূর্ণিঝড় মোরা পরবর্তী লঘুচাপ দ্বীপের অবহেলিত মানুষগুলির দূঃখ-দুর্দশার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে গেলো। অসংখ্য পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে বর্ষায় কষ্টের জীবন অতিবাহিত করছেন।

 

কারও ঘরের চালা নেই; কারো ঘরের বেড়া নেই, করো ঘরের অন্ধকারের বাতি দেয়ার মত পরিবেশ নেই। বাড়িতে নেই কোনো উন্নতমানের চুলা- যা দিয়ে বৃষ্টি বাদলের দিনে দু’মুঠো ভাত-তরিতরকারি রান্না করবে। পাচ্ছেনা কারো কাছ থেকে তেমন কোনো সহযোগিতা। সরকার থেকে এ পর্যন্ত ত্রাণের নামে যা দেয়া হয়েছে তা অপ্রতুল। তারপরও জনগণ আশা ছাড়েনি সরকারের সহযোগিতার।

 

এদিকে দ্বীপের একমাত্র ইনানী স্লুসগেটটি দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধরে অকেজো অবস্থায় আছে। বৃষ্টি হলে তলিয়ে যাচ্ছে দ্বীপের শত শত বাড়িঘর। স্লুইসগেটটি নষ্ট হওয়ার কারণে একদিকে বৃষ্টির পানি বের হতে পারে না অপরদিকে সাগরের জোয়ারের পানি ঢুকে লবণাক্ত হয়ে প্লাবিত বসতবাড়ির খাবার পানিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মোটকথা দ্বীপের মানুষগুলোর সমস্যার শেষ নেই। দ্বীপবাসীর এই ঘাতক স্লুইসগেটটির দাবি পূরণ করতে পারছে না।

 

বর্তমানে দ্বীপের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। যেমন আগে দ্বীপের মাঝখানে যে পাথরগুলো ওতপ্রোতভাবে মাটি জড়িয়ে রেখেছিল- তা দ্বীপের ভীতকে অনেকটা শক্ত থাকার কাজ করতো। কিন্তু এখন সে পাথরগুলো বনে গেছেন কারো বাড়ির দেয়াল, কারো বাড়ির হাফ ওয়াল, কারো বিল্ডিয়ের ছাদ বা কারো আবাসিকের ফ্লোর। আর এখন বৃষ্টির পানি বা জোয়ারের পানি দ্বীপের ফ্লোরকে সাগরের পানির সাথে তাল মিলিয়ে দ্বীপ বিলীন করার অবস্থা তৈরি করছে- যা গবেষকদের ধারণা বা আমাদের বাস্তব অবলোকন। মাত্র ১০/২০ লাখের একটা প্রজেক্ট দিয়ে কেন এই ঘাতক কালভার্ট বা স্লুইসগেটটির ধ্বংসযজ্ঞের ইতি টানা হচ্ছে না? দেশবাসীর কাছে দ্বীপবাসীর এই প্রশ্ন।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে