ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 3 months ago

রাঙামাটিতে শিক্ষানুরাগী আব্দুল বারী মাতব্বরের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত



রাঙামাটি প্রতিনিধি

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাঙামাটির বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদ আবদুল আলী একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম হাজী আবদুল বারী মাতব্বরের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী বিদ্যালয় মিলনায়তনে মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ফ্রি চিকিৎসা সেবা, আলোচনাসভা, মিলাদ ও দোয়ার মাহফিল আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। সভাপতিত্ব করেন মরহুম হাজী আবদুল বারী মাতব্বরের ছোট ছেলে ও  শহীদ আবদুল আলী একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, জেলা পরিষদ সদস্য হাজী মো. মুছা মাতব্বর।

আলোচনাসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দৈনিক গিরিদর্পন সম্পাদক একে এম মকছুদ আহমেদ, রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনতোষ মল্লিক, আব্দুল বারী মাতব্বর এর মেঝ ছেলে হারুন মাতব্বর, তৈয়বিয়া আইডিয়াল স্কুলের অধ্যক্ষ আকতার হোসেন চৌধুরী, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সহসভাপতি মমতাজুল হক মমতাজ, কমিটির বর্তমান সদস্য আব্দুল খালেক ও সাওয়াল উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মুসলিম উদ্দিন।

আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, মরহুম হাজী আব্দুল বারী মাতব্বর একজন সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন। তিনি যখন যে অবস্থাতেই থাকতেন, সবসময়ই মানুষের ভালো চাইতেন। তিনি এ অঞ্চলের মানুষের কল্যাণের জন্য শহীদ আব্দুল আলী একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। তাঁর সে স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য সন্তান হাজী মো. মুছা মাতব্বর। বাবার স্বপ্নকে এগিয়ে নেয়ার জন্য এমন যোগ্য সন্তানই প্রয়োজন রয়েছে। আমরা মুছা মাতব্বরের মাঝে হাজী আব্দুল বারী মাতব্বরের ছায়া দেখতে পাচ্ছি। আশা করি, এ অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত গরিব অসহায়দের জন্য বাবার মতো তিনিও কাজ করে যাবেন। বক্তারা হাজী আব্দুল বারী মাতব্বরের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে শহীদ আব্দুল আলী একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের সার্বিক উন্নয়নে এগিয়ে আসতে ও সহযোগিতা করতে সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

এদিন শহীদ আব্দুল আলী ও মরহুম হাজী আব্দুল বারী মাতব্বর স্মৃতি বৃত্তি জন্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা সেবায় স্বনামধন্য চিকিৎসকগণের অংশগ্রহণে জেলা সদরের প্রায় পাঁচ শতাধিক গরিব অসহায় জনগণ বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। আলোচনাসভা শেষে ২০১৬ সালে জিপিএ প্রাপ্ত মেধাবি শিক্ষার্থী ফারুক আলমের হাতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১০ হাজার নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে