ব্রেকিং নিউজঃ

মর্যাদার লড়াইয়ে আবাহনীর জয়  ***  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগ নেত্রীকে কুপিয়ে হত্যা  ***  রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য ছাদহীন খোলা কারাগার, দশকের পর দশক ধরে প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদের শিকার এই বাসিন্দারা-অ্যামনেস্টি  ***  জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শুক্রবার শপথ নিতে যাচ্ছেন দেশটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নাঙ্গাগওয়া  ***  চট্রগ্রাম বিমানবন্দরে সাড়ে তিন কেজি স্বর্ণসহ এক যাত্রী আটক  ***  সরকার দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে- মির্জা ফখরুল  ***  মানবতাবিরোধী অপরাধে বসনিয়ার ‘সাক্ষাৎ শয়তান’ রাতকো ম্লাদিচের যাবজ্জীবন  ***  দ. কোরিয়ায় পালাতে গিয়ে সহকর্মীদের গুলিতে নিহত উ. কোরীয় সৈনিক  ***  জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ন্যানগাওয়ের শপথ শুক্রবার, আজ রাতে পালাতে পারেন মুগাবে  ***  কুড়িগ্রামে মৌমাছির কামড়ে ৩৭ জন শিক্ষার্থীসহ আহত অর্ধশতাধিক
Published: 6 months ago

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যানের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর



ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেছেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান আরাস্ত খান।

তিনি বলেছেন, ‘ব্যাংকের যাকাত ফান্ড থেকে ৪৫০ কোটি টাকা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যাকাত ফান্ডে প্রদানের কোনো সিদ্ধান্ত বোর্ড সভায় গৃহীত হয়নি। এ পরিমাণ টাকা ব্যাংক মুনাফাও করতে পারেনি।’

বৃহস্পতিবার মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আরাস্ত খান বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান যে কথা ফেসবুকে লিখেছেন তার কোনো ভিত্তি নেই।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ ব্যাংকের একজন পরিচালক হয়ে মনগড়া বক্তব্য দিতে পারেন না। তার পদত্যাগ নিয়ে ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই। তবে তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে পারেন।’

তিনি বলেন, আমাদের ব্যাংকে যে পরিমাণ সিএসআর’র টাকা রয়েছে তা অনেক ব্যাংকের লাভও হয় না। এটা বাংলাদেশের অনেক মানুষের বিশ্বাসের জন্য হয়েছে। তাই এ খাত থেকে আমরা ১৫ কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ডে দিয়েছি।

আরাস্ত খান আরো বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত ৩৪৭ কোটি টাকা যাকাত দিয়েছি। বর্তমানে আমাদের যাকাত ফান্ডে ২৭.৮৪ কোটি টাকা আছে। তাহলে কীভাবে আমরা এত টাকা যাকাত ফান্ডে দিয়েছি।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বোর্ডের পরিচালকরা ব্যাংকের পরিচালক হওয়ার সময় ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুসারে ব্যাংকের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য প্রত্যেককেই স্বাক্ষর করতে হয়। কিন্তু পাবলিক প্লেসে গোপনীয়তার বাইরে গিয়ে তিনি তার নিজস্ব মনগড়া স্ট্যাটাস দিয়েছেন যা ব্যাংক কোম্পানি আইন বহির্ভূত।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল হামিদ ভুইয়াসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, গত ১১ মে বৃহস্পতিবার সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ ইসলামী ব্যাংক নিয়ে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘অশুভ শক্তির ইশারায় আমার শত চেষ্টার পরেও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি পুনর্বাসিত হয়েছে এবং জাতির পিতার খুনিদের সাথে সংশ্লিষ্টরা ফিরে আসছেন নেতৃত্বে। আগামী বৎসর এই ব্যাংকটিকে রাষ্ট্রবিরোধী কাজে ব্যবহার করার নীল নকশা সম্পাদন হচ্ছে। ইসলামী ব্যাংক আবারও স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে চলে গেছে।’পরে একটি অনলাইন পোর্টালে তিনি আরও স্পষ্ট ও দৃঢ়ভাবে এ অভিযোগ করেন।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে