ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 4 months ago

একনেকে ২৭২৩ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন



জাতীয় অর্থনেতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আটটি উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২ হাজার ৭২৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ হাজার ৯২৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে ৭৯৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল প্রকল্প সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, একনেক সভায় নতুন এবং সংশোধিত মিলে মোট আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো বৈদেশিক সহায়তা নেয়া হবে না।

তিনি বলেন, ‘তথ্য আপা: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৪৯০টি উপজেলায় ৪৯০টি তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হবে।এতে গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি (বিটিসিএল) এর কাজ শেষ করবে বলে তিনি জানান।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৫৪৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।এর পুরোটাই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে। ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শেষ হবে।

একনেকে অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পসমূহ হলো- ‘কনভার্সন অব ১৫০ মেগাওয়াট: সিলেট গ্যাস টারবাইন পাওয়ার প্ল্যান্ট টু ২২৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট’ শীর্ষক প্রকল্প। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।‘দেশের পার্বত্য অঞ্চলের শ্রমিকদের কল্যাণ সুবিধা ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও জোরদারকরণে ঘাগড়ায় একটি বহুবিধ সুবিধাসহ শ্রম কল্যাণ কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, এতে ব্যয় হবে ৬৫ কোটি টাকা। গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (চট্টগ্রাম জোন) প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৬ কোটি টাকা। নেত্রকোনা বিসিউড়া-ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় হবে ২৬১ কোটি টাকা। নাঙ্গলবন্দ-কাইকারটেক-নবীগঞ্জ জেলা মহাসড়কের লাঙ্গলবন্দ হতে মিনার বাড়ি পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে-১২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইস্টিটিটিউটের (বারটান) অবকাঠামো নির্মাণ শক্তিশালীকরণ প্রকল্প, ব্যয় হবে ৩৩২ কোটি ১২ লাখ টাকা। কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্প, এতে ব্যয় হবে ১৬৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে