ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 5 months ago

বিসিকের ৫ দিনের মধুমেলা শুরু



বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর ৫ দিনের মধুমেলা রোববার শুরু হয়েছে।

আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মৌচাষ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগে মতিঝিলস্থ বিসিক ভবন চত্বরে সকালে সংস্থার চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহঃ ইফতিখার আনুষ্ঠানিকভাবে এ মেলার উদ্বোধন করেন।

আগামী ১৮ মে ২০১৭ পর্যন্ত এ মেলা সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য খোলা থাকবে। দেশের বিভিন্ন এলাকার মৌ-চাষীদের উৎপাদিত মধু বিক্রি ও প্রদর্শনের লক্ষ্যে মেলায় ৩০টি স্টল অংশ নিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিসিক কর্মকর্তা মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম খান ও মোঃ রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিকের পরিচালক (প্রকল্প) মোঃ রেজাউল করিম ।

বিসিক চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহঃ ইফতিখার বলেন, বিসিক দেশব্যাপী ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প খাতের উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ধরনের সেবা-সহায়তা প্রদান করে আসছে। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে মৌচাষের মাধ্যমে মধু উৎপাদন বৃদ্ধির কার্যক্রমও পরিচালনা করছে। ১৯৭৭ সাল থেকে বিসিক মৌচাষের কার্যক্রম গ্রহণ করে।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে অ্যাপিস মেলিফেরা এবং অ্যাপিস সেরেনা বা দেশজ প্রজাতি এ দুই প্রজাতির মৌমাছি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌবাক্সে চাষ করা হয়। মধু উৎপাদন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সফল পরাগায়নের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ দু’প্রজাতির মৌমাছি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌবাক্সে চাষ করা প্রয়োজন। ফসলের মাঠে মৌমাছিরা বিচরণ করে সেখানে বাড়তি পরাগায়নের কারণে ফসলের উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

বিসিক কর্মকর্তা ইফতেখারুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশ হতে বছরে ১ থেকে দেড় লাখ টন মধু বিদেশে রফতানি করা সম্ভব। এজন্য বিসিককে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশের মধুখাত একটি সম্ভাবনাময় খাত, বাংলাদেশে মধু বিশ্বের সবচেয়ে উৎকৃষ্টমানের মধু। মধু উৎপাদনের সাথে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি সম্পর্ক যুক্ত, তাই এর জন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

বিসিক সচিব বলেন, মধু উৎপাদন, বোতলজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং বাজারজাতকরণের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ নিশ্চিত করা দরকার। বিসিকের এ মৌমাছি পালন কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমানে দেশে সনাতন পদ্ধতির আহরিত মধুর চেয়ে গুণগতমান ভালো ও উন্নতমানের মধু উৎপাদন করা সম্ভব।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে