ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 7 months ago

‘রেইন ট্রি হোটেলে ছাত্রী ধর্ষণ চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন’



নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বনানীর রেইন ট্রি হোটেলে দুই ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন এ সংক্রান্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম।

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হোটেলটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নজরুল ইসলাম।

নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে আমাদের প্রতীয়মান হয়েছে দ্য রেইন ট্রি হোটেলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। যে কক্ষে ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে সেই কক্ষ দুটি আজ বন্ধ ছিল তবে আমরা বাইরে থেকে দেখেছি। হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। আমরা আমাদের প্রতিবেদনে সব কিছু উল্লেখ করব।

এর আগে, শনিবার সকাল ১০টার দিকে হোটেলটি পরিদর্শনে যান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম ও সদস্য শরীফ উদ্দিন। প্রসঙ্গত, বনানীর দ্য রেইন ট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মানবাধিকার কমিশন অভিযোগ আমলে নেয়। দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে কমিশনের চেয়ারম্যান পাঁচ সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

এই কমিটির সদস্যরা হলেন, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, অবৈতনিক সদস্য নুরুন নাহার ওসমানী, এনামুল হক চৌধুরী, পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) মো. শরীফ উদ্দীন ও সহকারী পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) এম রবিউল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ বন্ধুর সঙ্গে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী।

ওই ঘটনায় গত ৬ মে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন নির্যাতনের শিকার এক তরুণী।

মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে সাফাত (২৬) আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে এবং সাদমান (২৪) পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

এই মামলার অন্য তিন আসামি হল, সাফাতের আরেক বন্ধু নাঈম আশরাফ (প্রকৃত নাম হাসান মো. হালিম), সাফাতের দেহরক্ষী ও গাড়িচালক।

মামলার দুই আসামি সাফাত ও সাদমানকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। বাকি আসামিরা পলাতক।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এইচআর