ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 2 months ago

মেয়র মান্নানের দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা নেই



নিজস্ব সংবাদদাতা :

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র  ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ মান্নানকে  তৃতীয়  দফা সাময়িক  বরখাস্তের  প্রজ্ঞাপন স্থগিত  করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রেখেছেন  সুপ্রিম   কোর্টের  আপিল বিভাগ। এর  ফলে  তার  মেয়রের  দায়িত্ব  পালনে বাধা  নেই বলে  জানিয়েছেন  আইনজীবীরা।

 

 

রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানি নিয়ে রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে)সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ ‘নো অডার’ দেন।

 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের  করা আবেদন শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে  আলম এবং  মেয়রমান্নানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্ট্রার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও তার সঙ্গে ছিলেনঅ্যাডভোকেট মো. আবু

হানিফ।

 

 

ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদদের বলেন, সাময়িক বরখাস্তের বিরুদ্ধে রিটের পর  হাইকোর্ট  তা স্থগিত করেন।

 

 

হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদনকরলে আপিল বিভাগ আজ ‘নো অর্ডার’আদেশ দেন। ফলে  হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকলো। এখন তার দায়িত্ব পালনে আর কোনো আইনি বাধা নেই।

 

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের এক মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে গৃহীত হওয়ায় গত ৬ জুলাই  স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এম এ মান্নানকে মেয়র পদ থেকে সাময়িকবরখাস্ত করা হয়।

 

 

সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মান্নানের করা রিট আবেদনের শুনানিশেষে গত ০৯

জুলাই বিকেলে তিনমাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদদস্তগীর  হোসেন ও বিচারপতি  মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

 

 

একইসঙ্গে বরখাস্তাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুলজারি করেন। মান্নানকে দায়িত্ব পালনে যেন কোনো বাধা না দেওয়া হয় সে আদেশ দিয়েভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে আসাদুর রহমান কিরণের নিয়োগও স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

 

 

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আবেদনের পর ১০ জুলাই চেম্বারবিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদালত শুনানির জন্য আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন।

 

 

২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো নির্বোচনে গাজীপুর সিটি মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির এইনেতা। পরবর্তীতে নাশকতার এক মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার পর ২০১৫সালের ১৯ আগস্ট অধ্যাপক মান্নানকে প্রথম বরখাস্ত করেছিল স্থানীয় সরকার বিভাগ।

 

এরবিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের ২৮ মাস পর মেয়র পদ ফিরে পান এম এ মান্নান। কিন্তু  এরপরপরই   আরও একটি মামলার অভিযোগপত্র গৃহীত হলে ২০১৬ সালের ১৮ এপ্রিলদ্বিতীয়বারের মতো তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

 

ওই আদেশেরও বিরুদ্ধেও আইনি লড়াই করেন মান্নান।  গত ১৮ জুন পুনরায় পদ ফিরে পান তিনি। কিন্তু এর কয়েকদিনের মধ্যে দুর্নীতির মামলায় অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার পরফেরতাকে বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

 

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন মামলায় বিএনপির এ নেতাকে বেশিরভাগ সময় কারাগারেই কাটাতে

হয়েছে।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এএইচ