ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 6 months ago

জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে আগাম বিতর্ক



প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা জানিয়েছেন, সব দল যদি চায় তাহলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম অব ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) নেতাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ইভিএম বা যে নামেই হোক না কেন, প্রযুক্তিটি সবার কাছে আগে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা। ইভিএম নিয়ে আমাদের ভাবনা চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের পর রাজনৈতিক দলসহ সবার কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা পেলেই ইভিএম ব্যবহার করা যাবে।

তিনি আরো বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে ইভিএম ব্যবহার করার সুযোগ নেই। ছোট ছোট নির্বাচনে পরীক্ষা করতে হবে ব্যবহার করা যাবে কিনা। তার আগে রাজনৈতিক দলগুলো এটা চায় কিনা জানতে হবে। আমরা কারো ওপর এটা চাপিয়ে দিতে চাই না।
ইভিএম বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্থানীয় পর্যায়ের কিছু নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে এর ব্যবহার করা হবে বলে জানান সিইসি। জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আমাদের আলোচনায় বসার সম্ভাবনা রয়েছে।
মতবিনিময়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, শাহাদত হোসেন ও নির্বাচন কমিশন সচিব মো. আব্দুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে শুক্রবার পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে  রুহুল কবির রিজভী বলেন,আগামী নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমের সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) বক্তব্য দুরভিসন্ধিমূলক ও সরকারেরই ইচ্ছার প্রতিফলন

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘নূরুল হুদা সাহেব (প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা) বলেছেন সব রাজনৈতিক দল চাইলেই আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করা হবে। এটা একটা দুরভিসন্ধিমূলক, গভীর রহস্য আছে। কারণ এর আগেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর পুত্রও বলেছেন, তারপরই নির্বাচন কমিশন এটা নিয়ে বলছে। কেন যেন মনে হচ্ছে এটা একেবারে কাকতালীয় ব্যাপার নয়। এটার সঙ্গে একটা যোগসূত্র আছে। সুতরাং এ সন্দেহটি সাধারণ মানুষের, জনগণের। আমরাও এটাকে দুরভিসন্ধিমূলক বলে মনে করি।’

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/আজমল