ব্রেকিং নিউজঃ

বাংলাদেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট দল ঘোষণা  ***  রাস্তার ধারে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! প্রাণ হারালেন ৪ সেনা, আহত ৬  ***  ঢাবি ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত  ***  রোহিঙ্গা নির্যাতন, গণহত্যায় আন্তর্জাতিক গণআদালতে দোষী সাব্যস্ত হলেন সু চি ও সেনাপ্রধান  ***  দেশে ফোর-জি নেটওয়ার্ক সার্ভিস চালু হবে আগামী ডিসেম্বরে : তারানা হালিম  ***  বার্মায় রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলা  ***  ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় জবাব দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট  ***  শ্যামপুরে আগুনে পুড়ে দগ্ধ একই পরিবারের ৫ জন, যেভাবে আগুন লাগে  ***  ভারতের কাছে ৫০ রানে হেরে গেল অস্ট্রেলিয়া  ***  প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ ২৮৫ রানে এগিয়ে
Published: 6 days ago

খয়েরি বা বাদামী কফি না গ্রীন কফি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, জেনে নিন



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক:

কফি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, কিন্তু সেক্ষেত্রে কোন কফি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী তা জানা খুবই জরুরী।

 

কফি উপভোগ করতে হলে সাধারণত আমরা দুধ চিনি দিয়ে জমিয়ে খাই।
স্বাস্থ্যসচেতনরা চিনি ছাড়া কালো কফি খেতেই পছন্দ করেন। অনেকে আবার ওয়ার্কআউটের আগে ব্ল্যাক কফি শট দিয়ে ফিটনেস রুটিন শুরু করেন।

আর এখন ফিটনেস ড্রিঙ্ক হিসেবে ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে গ্রিন কফি। কাঁচা গ্রিন কফির পাশাপাশি গ্রিন কফি পাউডার, গ্রিন কফি মিক্সচারও পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। সত্যিই কি গ্রিন কফি ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে?

 

গ্রিন কফি এক্সট্র্যাক্ট কী
কফি বিনসের প্রাকৃতিক রং হল সবুজ। বাণিজ্যিক কারণে কফি বিনসকে রোস্ট করে খয়েরি বা বাদামি রং দেওয়া হয়। কফির মধ্যে দুটো খুব গুরুত্বপূর্ণ ফার্মালজিক্যালি সক্রিয় যৌগ থাকে। তা হল ক্যাফেইন ও ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড।

 

মানুষের শরীরের মেটাবলিজমের উপর ক্যাফেইনের অনেক প্রভাব থাকলেও ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড বেশি শক্তিশালী। কফি বিনস যখন রোস্ট করা হয় তখন অধিকাংশ ক্লোরোজেনিক অ্যাসিডই উড়ে যায়। তাই গ্রিন কফি বিনসে ব্রাউন কফি বিনসের তুলনায় বেশি পরিমাণে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড থাকে।

 

গ্রিন কফি ও ওজন
গবেষণায় দেখা গিয়েছে ক্যাফেইন মেটাবলিজম রেট ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারে। ক্লোরোজেনিক অ্যাসিডের সাহায্যে ক্যাফেইন পৌষ্টিকনালীতে কার্বোহাইড্রেট শোষণ কমাতে পারে। রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়িয়ে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

 

ওজন কমাতে গ্রিন কফি উপকারী না ব্রাউন কফি এই সংক্রান্ত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, টানা ১২ সপ্তাহ ধরে উপযুক্ত ডায়েট ও এক্সারসাইজের পাশাপাশি ব্রাউন কফি খেলে যে পরিমাণ ফ্যাট লস সম্ভব, ডায়েট ও এক্সারসাইজের পাশাপাশি গ্রিন কফি তার চেয়ে বেশি ফ্যাট ঝরাতে কার্যকর। যদিও, দুটোরই পুষ্টিগুণ সমান।

 

ডোসেজ ও ফর্ম
বিভিন্ন প্রকার ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল ফর্মে গ্রিন কফি পাওয়া যায়। অনেক প্রি-ওয়ার্কআউট ফ্যাট বার্নার হিসেবে গ্রিন কফি ক্যাপসুল খেয়ে থাকেন। কিন্তু ন্যাচারাল গ্রিন কফিই সবচেয়ে উপকারী।

 

তাই গ্রিন কফি বিনস কিনে ফুটিয়ে নিয়ে সাধারণ কফির মতো খাওয়াই সবচেয়ে ভাল। যেহেতু গ্রিন কফি স্টিমিউল্যান্ট তাই সকলের সহ্য নাও হতে পারে। অতিরিক্ত গ্রিন কফি খেলে নেশা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা থেকে মাথা যন্ত্রণা বা বুক ঢিবঢিব করার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

 

মেটাবলিজম ও ফ্যাট লস
আমাদের পরিপাক ক্রিয়ায় উপর গ্রিন টি এক্সট্র্যাক্টের কিছু প্রভাব থাকলেও তা একেবারেই নগন্য। মেদ ঝরানোর জন্য সঠিক ডায়েট প্ল্যান ও ওয়ার্কআউট রুটিন ছাড়া কোনও দ্বিতীয় পথ নেই। গ্রিন কফি কোনও ম্যাজিক পিল নয়।

 

তাই মেদ ঝরিয়ে দীর্ঘকালীন ফল পেতে হলে অবশ্যই ডায়েট ও এক্সারসাইজেই ভরসা রাখতে হবে। যখন নিয়মিত ডায়েট ও ট্রেনিংয়ের রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন তখন স্টিমিউল্যান্ট হিসেবে গ্রিন কফি খেলে উপকার পেতে পারেন।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএম