ব্রেকিং নিউজঃ

পথে পথে ভোগান্তি আর ঝুঁকি মেনেই নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ , সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনের ধীরগতি : লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী  ***  সহায়ক সরকারের একাধিক ফর্মূলার আভাস বিএনপির : শেখ হাসিনার অধিনে নির্বাচনের বিষয়ে একচুলও ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ  ***  সৌদি আরবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উদযাপন হবে ঈদুল ফিতর *** বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা রোববার অনুষ্ঠিত হবে  ***  কাবা মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে সৌদি আরব  ***  আজীবন নিষিদ্ধ অভিনেতা শাকিব খান: চিত্রপরিচালক গুলজারের পদত্যাগ  ***  ঈদ করতে ট্রাকের ছাদে বাড়ি ফেরা, নিহত ১৬  ***  পাটুরিয়ায় ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় ৪ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক  ***  একসঙ্গে ৩১ কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ভারত  ***  আফগানিস্তানের হেলমান্দে জঙ্গি হামলায় নিহত ৩৪  ***  বাগদাদীকে হত্যা করা হয়েছে প্রায় ১০০ শতাংশ নিশ্চিত : রাশিয়া

হৃদরোগে জীবন রক্ষাকারী ইনজেকশন এখন বিনা মূল্যে



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক

হার্ট অ্যাটাকের পর ধমনিতে জমাট বেঁধে যাওয়া রক্ত গলিয়ে দেওয়া জীবন রক্ষাকারী ইনজেকশন এখন রোগীদের বিনা মূল্যে দিচ্ছে ঢাকার জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। হার্ট অ্যাটাক করে কেউ ওই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গেলে তিনি বিনা মূল্যে এই ইনজেকশন পাবেন। বাইরের ওষুধের দোকানে এর দাম পাঁচ-ছয় হাজার টাকা।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, হাসপাতালটির পরিচালক রোগীদের বিনা মূল্যে এই ইনজেকশন দেওয়ার আদেশ জারি করে বলেছেন, কোনো নার্স বা চিকিৎসক এই ইনজেকশন রোগীদের দিয়ে বাইরে থেকে কিনে আনালে বা কেনার পরামর্শ দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একজন চিকিৎসক বলেন, হার্ট অ্যাটাকের পর রক্ত জমাট বেঁধে যায়। জীবন রক্ষাকারী এই ইনজেকশন দেওয়ার পর জমাট বাঁধা রক্ত তরল হয়ে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং হৃদ্‌যন্ত্র সচল হয়। যত দ্রুত শিরায় এই ইনজেকশন দেওয়া যাবে, হার্টের পেশি তত ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক আফজালুর রহমান বলেন, জরুরি পরিস্থিতিতে এ ইনজেকশন মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা কিনতে পারলেও গরিব-অসহায় রোগীরা তা পারেন না। মূলত গরিব রোগীর কথা বিবেচনা করে হাসপাতালের নিজস্ব বরাদ্দ থেকে সম্প্রতি এই ইনজেকশন কেনা হয়েছে।

অধ্যাপক আফজালুর রহমান আরও বলেন, গত জানুয়ারিতে পরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যেই জরুরি বিভাগে ইকোকার্ডিওগ্রাম যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসিজি, কার্ডিয়াক মনিটর, ডি-ফেব্রিলেটর যন্ত্র বসিয়ে জরুরি বিভাগকে একটি ছোট সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) রূপান্তর করা হয়েছে।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমইচআর