ব্রেকিং নিউজঃ

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত  ***  টি-টেনে সাকিবদের ম্যাচ আজ রাত দশটায়, তামিমদের বারোটায়  ***  ইংল্যান্ডের ১ম ইনিংসে সংগ্রহ ৪০৩, অস্ট্রেলিয়া ১৮০/৩  ***  টি-১০ লিগে প্রথম হ্যাটট্রিক আফ্রিদির, বিধ্বস্ত শেবাগরা  ***  বিকালে লালদীঘি ময়দানে মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা  ***  মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক  ***  ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে ৩০ কিলোমিটার যানজট  ***  পূর্ব জেরুজালেমে দূতাবাস খুলতে চায় লেবানন  ***  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দুই শিক্ষার্থী ৭দিন ধরে নিখোঁজ  ***  মুন্সীগঞ্জে গজারিয়ায় নামাজে দাঁড়ানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৮
Published: 4 months ago

আশংকাজনক হারে বাড়ছে শিশুদের ডায়াবেটিস



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যে ছয়শ’র বেশি শিশু-কিশোর টাইপ টু ডায়াবেটিসের জন্য চিকিৎসা নিচ্ছে এবং এই সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিবিসি জানায়, ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের সিংহভাগই দক্ষিণ এশীয় এবং আফ্রিকান বংশোদ্ভূত। কারণ দারিদ্র্যের কারণে এসব পরিবারের মধ্যে শিশুদের অস্বাস্থ্যকর খাবার দেয়ার প্রবণতা অপেক্ষাকৃত বেশি। এমনকি পাঁচ থেকে নয় বছরের শিশুদের মধ্যেও আশংকাজনক হারে টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপে তারা উদ্বিগ্ন, কারণ এতে তাদের ভবিষ্যতে হৃদরোগ এবং কিডনির রোগে ভোগার হুমকি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া, অকালে দৃষ্টিহীনতার ঝুঁকিও রয়েছে।

কেন শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে?
ডায়াবেটিসের সবচেয়ে বড় হুমকি ওজন বেড়ে যাওয়া। যেসব শিশুদের এই রোগ হচ্ছে তাদের দুই-তৃতীয়াংশেরই শরীরের ওজন বেশি।

যুক্তরাজ্যে ২০১৫-১৬ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রাইমারি স্কুলের প্রথম শ্রেণীতে ১০ জনের মধ্যে একজন শিশু স্থূলকায়। ষষ্ঠ শ্রেণীতে এই সংখ্যা ছয়জনের মধ্যে একজন।

আক্রান্ত কারা?
দক্ষিণ এশীয় এবং আফ্রিকান বংশোদ্ভূত পরিবারের শিশুদের মধ্যে টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি।

আক্রান্ত এবং ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের মেয়েদের সংখ্যা ছেলেদের চেয়ে দ্বিগুণ। আক্রান্তদের অধিকাংশের বয়স ১৫ থেকে ১৯। ফি বছর শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। ২০১৩-১৪ সালে চিহ্নিত আক্রান্তের সংখ্যা যেখানে ছিল ৫০৭, গত বছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬২১।

সরকারি একটি প্রতিবেদনে স্বীকার করা হয়েছে ডায়াবেটিসে ভোগা অনেক শিশুকে হয়ত এখনও চিহ্নিত করা যায়নি।

অভিভাবকরা কী করতে পারেন?
চিকিৎসকরা বলছেন, প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে শিশুদের শরীরে টাইপ-২ ডায়াবেটিস বেশি ক্ষতি করে। সুতরাং বাচ্চাদের ওজন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিলে, ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। দ্রুত ওজন কমানোর জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া জরুরি।

আর যদি দেখা যায় ইতিমধ্যেই শিশু আক্রান্ত হয়েছে, শরীরচর্চা থেকে শুরু করে খাবারের বিষয়ে কঠোর শৃঙ্খলা পালন করতে হবে।

ব্রিটেনের রয়াল কলেজ অব চাইল্ড হেলথের চিকিৎসকরা বলছেন, নিত্যদিনের জীবনধারায় পরিবর্তন ঘটিয়ে টাইপ টু ডায়াবেটিস ঠেকানো সম্ভব। এমনকি উপসর্গও বদলে ফেরা সম্ভব।

ড. জাস্টিন ওয়ার্নার টিভি-পত্রিকায় অস্বাস্থ্যকর তৈরি খাবারের বিজ্ঞাপনের ওপর বিধিনিষেধের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, শিশুদের খাবারে চিনি এবং চর্বির পরিমাণ কমানো জরুরি।

ব্রিটিশ সরকার তৈরি খাবারের উৎপাদকদের আগামি চার বছরের মধ্যে চিনির পরিমাণ ২০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে