ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 4 months ago

যমুনা ফিউচার পার্কে স্বদেশী’ পণ্যের দোকানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে মেয়েদের পোশাক



বিশ্বের অন্যতম এবং দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ এ শপিংমলে এখন ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে বেচাকেনা ততই জমে উঠছে।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, ফিউচার পার্কের দোকানগুলোতে বছরজুড়ে খুব বেশি বিক্রি না হলেও রমজানের শুরু থেকেই ক্রেতা সমাগম অনেকটাই বেড়েছে। তবে ১৫ রমজানের পর থেকে মার্কেটে ক্রেতাদের সংখ্যার সঙ্গে বেড়েছে বিক্রিও।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশজ ভাবনায় ‘স্বদেশী’ পণ্যের দোকানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে মেয়েদের পোশাক। এছাড়া ইনফিনিটি, সেইলর, কিডসপ্যারাডাইস, অ্যাপেক্স, বাটা, টেক্সমার্ট জুনিয়র, এস্টেসিসহ আরও অনেক শো-রুমে বিক্রি বেশ ভালোই হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে শো-রুমগুলোতে আধুনিক সব পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। নারী-পুরুষ-শিশুদের সাজসজ্জার সব ধরনের পণ্য রয়েছে। রয়েছে ইলেকট্রনিক এবং গৃহস্থালি পণ্যও।

বৃহস্পতিবার যমুনা ফিউচার পার্ক ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের ভিড়। ঈদ উপলক্ষে নানা রঙের আলোয় সাজানো হয়েছে যমুনা ফিউচার পার্ক। মূল গেটের রাস্তা থেকে মার্কেটের সামনে এবং ভিতরে ক্রেতা আকর্ষণ করতে শো-রুমগুলোও ভিন্ন সাজে সাজানো হয়েছে।

ফিউচার পার্কের বিভিন্ন শোরুমের কর্মকর্তারা জানান, ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের সমাগম তুলনামূলক বেড়েছে। দেশের সবচেয়ে অভিজাত এবং অত্যাধুনিক শপিংমল হওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে এই মার্কেটের দিকে। ঈদ সামনে রেখে বিক্রেতাদের নানা আয়োজনে জমে উঠেছে রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্ক।

মার্কেট ঘুরে জানা গেছে, এবার নেটের পোশাকের দিকে নজর তরুণীদের। পোশাকের মান ও কারুকাজের সঙ্গে রয়েছে দামের সামঞ্জস্য। কোনও শোরুমে পাঞ্জাবি বেশি বিক্রি হচ্ছে, আবার কোনটাতে শাড়ি, থ্রি-পিস। পাশাপাশি বাচ্চাদের প্রসাধনীর বিক্রিও বেশ ভালো হচ্ছে।

মেট্রো ফ্যাশনের ম্যানেজার মো. নাজমুল মুন্সী বলেন, রুচিশীল তরুণীদের চাহিদা বিবেচনায় নতুন ডিজাইন ও কারুকার্যের পোশাক এনেছি। ক্রেতাদের সাড়াও মিলছে।

ক্যাটস আই ও মুনসুনের যমুনা ফিউচার পার্ক আউটলেট ইনচার্জ সাইফুদ্দিন জানান, ক্রেতাদের স্বার্থ বিবেচনায় পাঞ্জাবি এবং শার্টের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈদ সামনে রেখে বেচাকেনা ভালো চলছে।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের নতুন পণ্যের বাহার সাজিয়েছে আড়ং, রিচম্যান, আর্টিজন, জেন্টেল পার্ক, ইনফিনিটি, নবরূপা, সাদাকালো, দেশী দশ, ইয়েলো, এস্টেসি, আর্টিস্টি কালেকশন, গ্রামীণ, টেক্সমার্ট, ফিট এলিগেন্স, লিভাইস।

রঙ বাংলাদেশ শোরুমের ম্যানেজার জানান, প্রতিদিন ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে, বিক্রিও ভালোই। ক্রেতাদের চাহিদা বিবেচনায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে।

মার্কেটের জুতার দোকানগুলোর মধ্যে এপেক্স, জিলস, ওরিয়েন, লট্টো এবং বাটার দোকানের প্রতি ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। এছাড়া শিশুদের জন্য রয়েছে কিডল্যান্ড, বেবিশপ এবং টক্সেমার্ট জুনিয়রসহ বেশ কিছু শোরুম।

ক্রেতাদের জন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রয়েছে বিভিন্ন অফার। ক্যাশ ব্যাক, বিশেষ ডিসকাউন্ট আর কুপনের নানা উপহার ক্রেতাদের মনে জাগিয়েছে শপিংয়ের ভিন্ন স্বাদ। ফিউচার পার্কে রয়েছে সুবিশাল পরিসরে বেশ কিছু পারফিউমের দোকান। যেখানে পাওয়া যাচ্ছে পৃথিবীর বিখ্যাত সব পারফিউম। এসব পারফিউমের সুগন্ধ শুধু মন ভোলাবে না, বাড়াবে আভিজাত্যও। তাই পোশাক-আশাকের সঙ্গে পারফিউম কিনতে ভুল করছেন না ক্রেতারা।

এ শপিংমলেই আছে টাইম জোনের সুবিশাল শোরুম। যেখানে রয়েছে পৃথিবীর বিখ্যাত সব ব্র্যান্ডের ঘড়ি। টাইটান, সিটিজেন, ক্রিডেন্স, রাডো কি নেই এখানে। তাই পছন্দের ঘড়ি নিতে ভিড় দেখা গেছে টাইম জোনের শোরুমেও।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এম/এম.