ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 2 months ago

খুলনায় মুজগুন্নিতে নির্মিত হচ্ছে বোতল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট



মহানগরী খুলনার মুজগুন্নি এলাকায় ১৪ কাঠা জমির উপর নির্মিত হচ্ছে বোতল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। সরকারী অর্থে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা ওয়াসার পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় এটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। ঠিকঠাকমতো কাজ শেষ হলে আগামী ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে প্লান্টটি চালু করা সম্ভব হবে। খবর বাসস।

 

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা অবশ্য বলছেন, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্লান্টটি নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে এটি চালু হলে প্রতিদিন ৬ হাজার লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানি উৎপাদন হবে। যার মাধ্যমে খুলনা ওয়াসার বড় অঙ্কের রাজস্ব আয় হবে।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, খুলনা ওয়াসার পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ২০১৬ সালের গোড়ার দিকে মুজগুন্নি এলাকায় বোতল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ করার জন্য একটি উদ্যোগ নেয়া হয়। উদ্যোগটি বাস্তবায়নে ওই সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ মেশিন ট্যুরস ফ্যাক্টরী লিমিটেড এর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের চুক্তি সম্পাদিত হয়। যাবতীয চুক্তিপত্র সম্পন্নের পর ১৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে জুন মাসে প্লান্টটির আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়। যার নির্মাণ কাজ বর্তমান চলমান অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় ঠিকঠাকমতো কাজ চললে আগামী ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে প্লান্টটি চালু করা সম্ভব হবে।
জানা গেছে, প্লান্ট  ১৪ কাঠা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে দ্বিতল বিশিষ্ট একটি ভবণ নির্মাণ, ম্যাকানিক্যাল সরঞ্জাম ও বোতলের কাচামাল ক্রয়, ওয়াটার প্রি-ফিকেশন, পানি বোতলজাতকরণ ও প্রডাকশন টিউববয়েল স্থাপন ইত্যাদি। এসব উপকরণ ব্যবহারে মাধ্যমে প্লান্টটিতে ৩’শ. ৫’শ ও ১’শ মিলিলিটারের বোতল ও বোতলজাত করণ পানি উৎপাদন করা হবে। যা পরবর্তী বাণিজ্যিকভাবে বাজারে বিক্রি হবে। মানুষ ওই বোতলজাতকৃত পানি নিত্য-নৈমত্তিকভাবে পান করাসহ বিভিন্ন সামাজিক আচার অনুষ্ঠান ও সভা-সেমিনারে ব্যবহার করতে পারবে।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক খান সেলিম আহমেদ বাসসকে বলেন, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্লান্ট নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন মেয়াদ রয়েছে আগামী ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। অর্থ্যাৎ প্লান্ট নির্মাণ করতে সময় লাগবে মাত্র ১৮ মাস। ইতোমধ্যে প্লান্টের মূল ভবণের পাইলিং নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হবে।
তিনি আরও বলেন, ব্যাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্লান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে এটি চালু হলে প্রতিদিন ৬ হাজার লিটার বোতলজাতকৃত বিশুদ্ধ খাবার পানি উৎপাদন হবে। তুলনামূলকভাবে কম রেটে ওই পানি এজেন্সির মাধ্যমে বাজারে বিক্রি হবে। যা দিয়ে ওয়াসার বড় অঙ্কের রাজস্ব আয় হবে।

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এএইচ