ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 3 months ago

আইএস আইএস নারী ও শিশুর হত্যার পক্ষে সাফাই গাইছেন



আইএস আইএস নারী ও শিশু হত্যার সমর্থনে সাফাই গাইছেন। কারণ এই সন্ত্রাসী গ্রুপ অধিকৃত এলাকা ও সৈন্য হারিয়েছে অধিক মাত্রায়।

আইএস আইএস চরম প্রপাগাণ্ডার নীতি অবলম্বন করেছে কারণ তারা তাদের অধিকৃত এলাকা, সৈন্য হারিয়েছে এবং সেজন্য তারা নারী ও শিশু হত্যার পক্ষে আত্মরক্ষামূরক প্রচারণায় লিপ্ত।

এই সন্ত্রাসী গ্রুপের ‘রুমিয়াহ’ ম্যাগাজিনের সর্বশেষ সংখ্যায় সাম্প্রতিক মিশরের ‘কপটিক গীর্জায়’ ‘পাল্ম সানডে’ পালনরত ৪৫ জন খ্রিস্টানকে বোমার আঘাতে হত্যার উৎসব পালন করেছে।

মিশরের সকল ধর্মের শত শত লোক নিহতদের সৎকারে অংশ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। মিশরের সরকার এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানের হুমকিস দিয়েছে।

লন্ডনের কিংস কলেজ ও জেনেভা সেন্টার ফর সিকিউরিটি পলিসি সেন্টারের গবেষক ফেলোজিন মার্ক বিকলি বলেছেন, ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করে কিছু আইএস আইএস সদস্য আরব গির্জায় হামলা করছে। তিনি ‘দ্য ইনডিপেনডেন্টকে’ জানান, আইএস আইএস শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়, পশ্চিমে ও এশিয়ায় তাদের কাজের বৈধতা চাচ্ছে। এটি খুবই আত্মরক্ষামূলক।’ তারা দ্বৈত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে- তারা তাদের অধিকৃত এলাকা হারাচ্ছে। অন্যদিকে আল কায়েদা তাদের বিশেষকরে সিরিয়ায় দাবড়িয়ে নিয়ে চলেছে।’

‘তারা নতুন নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির উৎসাহী হলে তাদেরকে প্রমাণ করতে হবে যে, তারা যা করছে তা অধিকাংশ মানুষ সেটা সঠিক মনে করে তার বৈপরিত্য নয়।

আইএস আইএস বিরোধী প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ আইএস আইএসের নারী ও শিশু হত্যা বিশেষ করে মুসলিম হত্যাকে ‘কাফির’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

‘ইসলামের স্বর্ণযুগে খালিফাদের আমলে যেমন খ্রিস্টানরা বিশেষ করে ‘জিজিয়া’ দিয়ে রাষ্ট্রে নাগরিক অধিকার, প্রতিরক্ষা পেয়েছে, তদ্রুপ বর্তমানেও পাবার অধিকারী।’

‘রুমিয়াহ’ পত্রিকায় আইএস আইএ ‘র এক গ্রুপের নেতা সাক্ষাৎকারে অনেক মানুষের নিন্দা, অসহযোগিতা, শোক জানানোর বিষয় স্বীকার কারেছেন। কিন্তু প্রপাগান্ডা নিবন্ধে আইএস আইএস তার কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি চেয়েছে এবং বলেছে এটা তাদের ‘যুদ্ধ অধিকার’। মিশরের খ্রিস্টানরা প্রতিরক্ষার কোনো অধিকার রাখে না।

আইএস আইএস বলেছে, ‘যুদ্ধ অধিকারে সকল মানুষ হত্যা করার অনুমতি আছে এবং নারী, শিশু ও অসুস্থদের দাস হিসেবে নেয়ার অধিকার রয়েছে।

নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, ‘যুদ্ধ অধিকারে খ্রিস্টানদের মধ্যে অযুদ্ধরত মহিলা ও শিশু, যাদের অনিচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয়েছে ‘তাদের রক্ত আবর্জনা।’

ম্যাগাজিনে দাবি করা হয়েছে, নির্বিচার ও বোমা হামলার সময় নারী ও শিশু হত্যা জায়ের রয়েছে।

আইএস আইএস শিশুদেরকে আত্মঘাতী হিসাবে ব্যবহার, শিশু সৈনিক, সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন ও জিহাদি অ্যালফাবেট অ্যাপকে সঠিক হিসাবে দাবি করেছে।