ব্রেকিং নিউজঃ

এবার সু চির খেতাব ফিরিয়ে নিল ‘ডাবলিন সিটি কাউন্সিল’  ***  রোনালদো-বেলের গোলে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ  ***  নেতাকর্মীদের নিয়ে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে বেগম খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা  ***  ব্লগার নিলয় হত্যার প্রতিবেদন দাখিল ২৪ জানুয়ারি  ***  ঢাবির প্রশ্ন ফাঁসে রাবি ছাত্রসহ আটক ১০  ***  টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে অগ্নিকাণ্ডে স্কুলসহ ২৫ দোকান পুড়ে ছাই  ***  জেরুজালেমকে ট্রাম্পের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন : আব্বাস  ***  ঘন কুয়াশায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ  ***  মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা  ***  ট্রাম্পের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান, জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলো ওআইসি
Published: 3 months ago

ভণ্ডবাবার ডেরায় আসতো মৃতদেহ, তাদের নিয়ে কী করা হতো?



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক

 

 

ডেরা সাচ্চা সওদায় পুলিশি অভিযান একের পরে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে আনছে ধর্ষক বাবা গুরমিত রাম রহিম সিং সম্পর্কে। এবারে রহস্য একটি স্কিন ব্যাংকে ঘিরে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, ডেরা সাচ্চা সওদার মধ্যে চালু এক স্কিন ব্যাংকে পুলিশ সিল করেছে।

 

 

গত শনিবারেও অব্যাহত ছিল ডেরায় তল্লাশি অভিযান। সেখানেই তল্লাশি দলের স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুসন্ধানকারীরা ডেরার হাসপাতালে অভিযান চালান এবং বিনা লাইসেন্সে চালু স্কিন ব্যাংকটিকে সিল করেন।

 

 

প্রসঙ্গত, স্কিন ব্যাংক বিষয়টি অনেকটা ব্লাড ব্যাঙ্কের মতো। এখানে মৃতদেহের ত্বক সংরক্ষিত রাখা হয়। এই ত্বক সাধারণত পুড়ে যাওয়া অথবা অ্যাসিড অ্যাটাকে আক্রান্ত মানুষের ত্বক প্রতিস্থাপনে ব্যবহৃত হয়। ২০১৬ সালেড় ডিসেম্বরে এই স্কিন ব্যাংক উদ্বোধন করা হয়েছিল। রাম রহিমের দাবি অনুযায়ী, এটি উত্তর ভারতের প্রথম স্কিন ব্যাংক। যেকোনো ব্যক্তি তার ত্বককে এখানে দান করতে পারতেন। তার নিয়মাবলী দেহদানের মতোই।

 

আপাতত স্কিন ব্যাংকে পুলিশি তালা। সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, এখানে ঠিক ক’টি মৃতদেহ জমা পড়েছিল এবং তাদের নিয়ে কী করা হয়, তার কোনো হিসেব নেই। এখানেই আশ্চর্য, ঘটা করে উদ্বোধন এবং বিপুল জাঁকজমক সহকারে প্রচার করা এই স্কিন ব্যাংকের কোনও লাইসেন্সই ছিল না।

 

 

এদিকে ভণ্ডবাবাকে নিয়ে গানটা আপনিও নিশ্চয়ই শুনেছেন, থুড়ি দেখেছেন। ‘সোনু’কে উদ্দেশ করে গাওয়া গান, যার বাংলা সংস্করণের বয়ান ছিল ‘সোনু, তুমি আমাকে ভরসা করো না!’

 

 

 

ভারতের সব ভাষাতেই এই গান শোনা গিয়েছিল। হইহই পড়ে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। এবার সেই গান ফিরে এল নতুন রূপে। গুরমিত রাম রহিমের কাণ্ডকারখানা হয়ে উঠেছে সেই গানের বিষয়বস্তু।

 

 

ভণ্ড বাবাজি এখন রোহতকের জেলে জোড়া ধর্ষণের সাজা কাটছে। আর তাকে নিয়ে গান ছড়িয়ে পড়ছে দেশজুড়ে। তাতে ব্যঙ্গের কষাঘাতে একেবারে পেড়ে ফেলা হয়েছে ধর্ষক বাবাকে।

 

 

‘সোনু সং’-এর নব সংস্করণের সূচনা হয়েছে হরিয়ানা ও পাঞ্জাবে। তবে কেবল রাম রহিমই নয়, গানে গানে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টারকেও। রাম রহিমের সাজা ঘোষণার পর পাঁচকুলা ও হরিয়ানাতে যে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে তার জন্য প্রবল সমালোচিত হন তিনি। গানের তীর্যক শ্লেষ বিঁধেছে তাকেও।

 

 

আস্তে আস্তে এই গান ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। ধর্ষক বাবার গা ঘিনঘিনে ক্রিয়াকলাপের বিরুদ্ধে এভাবেই গর্জে উঠছে দেশের বিভিন্ন প্রদেশের মানুষ।

 

 

প্রসঙ্গত, ‘সোনু সং’-এর প্রথম পর্বের যেসব গান তা ছিল নিছকই বিনোদন। মূল গানটি কোন ভাষার রচনা তা জানা যায়নি। তবে অনেকেরই মতে মারাঠি ভাষায় গাওয়া ‘সোনু তুজা মাজ্যাভার ভরোসা নেহি কে’গানটাই প্রথম। অজয় ক্ষীরসাগরের গলায় গাওয়া এই গান ক্রমে জনপ্রিয় হতে থাকে। দেশের নানা প্রান্তের মানুষ নিজেদের ভাষায় নিয়ে আসেন সোনুকে।

কিন্তু সেই গানটির উদ্দেশ্য ছিল বিনোদন। এবার স্রেফ বিনোদন নয় তা হয়ে উঠল প্রতিবাদের হাতিয়ারও। ভাষা থেকে ভাষায়, রাজ্য থেকে রাজ্যে।

 

বাংলা রিপোর্ট/এফএম