ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 1 month ago

জাপানের ওপর দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলো উত্তর কোরিয়া



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক:

জাপানের ওপর দিয়ে আজ শুক্রবার আবারো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলো উত্তর কোরিয়া। ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়ে। উত্তর কোরিয়ার ওপর নতুন করে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা আরোপের জবাব দিতেই এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলো পিয়ংইয়ং।

একের পর এক পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোয় দেশটির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জাতিসংঘ। খবর এএফপি’র বরাতে বাসস।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মিসাইল ও ব্ল্যাস্টিক অস্ত্র ব্যবহারের কারণে উত্তর কোরিয়ার ওপর আট ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর পরই দেশটি নতুন করে মিসাইল নিক্ষেপ করলো।

উত্তর কোরিয়ার এখন পর্যন্ত যে ৬টি মিসাইল নিক্ষেপ করেছে তার মধ্যে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী ও হাইড্রোজন বোমা বহনে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে।

মিসাইল নিক্ষেপের ঘটনার পর শুক্রবারই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ জরুরী বৈঠকে ডেকেছে।

মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, এটি উত্তর আমেরিকার কোনো অঞ্চলের জন্য হুমকি নয়। মার্কিন গুয়াম ঘাঁটির জন্যও এটা হুমকি নয়। এই গুয়াম ঘাঁটি ধ্বংসের হুমকি দিয়ে রেখেছে উত্তর কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি তিন হাজার ৭০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে। সর্বোচ্চ ৭৭০ কিলোমিটার উপর দিয়ে গেছে ক্ষেপণাস্ত্রটি।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, আজ জাপানের ওপর দিয়ে ওই ক্ষেপণাস্ত্র যাওয়ার সময় জাপানিদের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এ সময় সতর্কতার সাইরেন বাজানো হয়। মুঠোফোনে পাঠানো হয় জরুরি বার্তাও। হোক্কাইডো দ্বীপে লাউডস্পিকারে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথা জানানো হয়। প্রায় দুই মিনিটে ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপান ভূখণ্ড পেরিয়ে যায়। জাপানের ভূখণ্ডের ক্ষেপণাস্ত্রের কোনো অংশ পড়েনি বা কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। তিনি বলেন, এটা মেনে নেওয়া যায় না। উত্তর কোরিয়ার এই কর্মকাণ্ড বিশ্ব শান্তির বিরুদ্ধে মারাত্মক উসকানি। এই আচরণ ভবিষ্যতে দেশটির জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না।

উত্তর কোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইয়ং মু জিন বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেশটি পরোয়া করে না এবং মিছামিছি কাউকেই হুমকি প্রদান করে না, তার প্রমাণ দিতে মিসাইলটি নিক্ষেপ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা জারির পর মিসাইল নিক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেদনা ও কষ্টদায়ক হবে।’

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএকে