ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 1 month ago

শেষমেশ ভণ্ডবাবার নিঃসঙ্গতা কিছুটা কমেছে, কারণ জানেন?



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক

 

জেলের ভাত বাবার পেটে বড় বাজছে। ঐকান্তিকভাবে চেয়েছিল কোনও প্রকারে তার কুকর্মের দোসর হানিপ্রীতকে যদি কারাকক্ষে ঢোকানো যায়। পুলিশও অতিমাত্রায় আগ্রহী ধর্ষক ধর্মব্যবসায়ী গুরমিত রাম রহিম সিংহের এই নর্ম্যনারীটিকে গরাদের পেছনে নিয়ে যেতে। তাল বুঝে হানিপ্রীত হাওয়া। বাবার রাত কাটে না, বাবার দিন কাটে না।

 

 

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলের ভেতরে রাম রহিমের নিঃসঙ্গতা কিছুটা হলেও কমেছে সম্প্রতি। জেল কর্তৃপক্ষ রাম রহিমের মা নসিব কাউরকে রোহতক জেলে ছেলের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দিল।

 

 

রাম রহিম তার মায়ের কাছে জানতে চায়, তার সম্প্রদায়ের হাল-হকিকত সম্পর্কে। তার অনুপস্থিতিতে সম্প্রদায় কেমন চলছে, তার জিজ্ঞাসা এখন এইটুকুতে এসে ঠেকেছে।

 

 

এদিকে ডেরা সচ্চা সওদার এক চাঁইকে হরিয়ানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। দিলওয়ার ইনসান নামের এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাঁচকুলায় দাঙ্গা বাধানোর অভিযোগ রয়েছে। ২৫ অাগস্ট রাম রহিম তার আশ্রমের দুই সাধ্বীকে ধর্ষণের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে দিলওয়ার আত্মগোপন করেছিল।

 

তার পরে ডেরার ভক্তরা রাম রহিমের মুক্তির দাবিতে যে ভয়াবহ দাঙ্গা করে, তাতে দিলওয়ারের অবদান ছিল যথেষ্ট বলে জানিয়েছে হরিয়ানা পুলিশ।

 

পালিত মেয়ে ছাড়া আর কেউ তার মাইগ্রেন আর পিঠ ব্যথার দেখাশোনা করতে পারে না। তাই ধর্ষণ মামলায় সাজা ঘোষণা হওয়ার পরে পালিত মেয়ে হানিপ্রীতকে সঙ্গে নিয়েই জেলে থাকার জন্য আদালতের কাছে আবদার করেছিলেন বাবা রাম রহিম। কিন্তু সেই আবদার হালে পানি পায়নি।

 

বাংলা রিপোর্ট/এফএম