ব্রেকিং নিউজঃ

বঙ্গোপসাগরে বছরের সর্বোচ্চ জোয়ার, উচ্চতা সাড়ে ১০ ফুট  ***  নয়া অ্যাকশনে মোস্তাফিজ  ***  অস্ত্রবিরতি সত্ত্বেও সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত শহরে হামলা, নিহত ৮  ***  আগামিকাল বুধবার থেকে পবিত্র জিলক্বদ মাস গণনা শুরু  ***  পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার দিলো রাশিয়া  ***  ভারতের ১৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন রামনাথ কোবিন্দ  ***  কক্সবাজারে প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধস : নিহত ৪, আহত ৫ জন  ***  সারাদেশে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ শুরু, চলবে ৯ আগস্ট পর্যন্ত  ***  ভারতের গুজরাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, সরিয়ে নেয়া হয়েছে ২৫ হাজার মানুষকে  ***  ঢাকায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ
Published: 2 months ago

হাজারো বন্দীর লাশ পোড়ানো হয়েছে সিরিয়ার কারাগারে



বাংলা রিপোর্ট ডেস্ক

হাজারো বন্দীর লাশ পোড়ানো হয়েছে সিরিয়ার কারাগারে। এমন অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, সিরিয়ার একটি সামরিক কারাগারে বন্দীদেরকে হত্যার পর প্রমাণ লুকানোর জন্য কারাগারের ভেতরেই একটি চুল্লী বা ক্রিমেটোরিয়াম স্থাপন করেছে সরকার। এর ভেতরে হাজার হাজার বন্দীর লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। খবর বিবিসির।

এই বিষয়ে তথ্যপ্রমাণও হাজির করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তোলা ক্রিমেটোরিয়ামের ছবিও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সেডনায়া বন্দীশালায় হাজার হাজার বন্দীকে নির্যাতনের পর হত্যা করেছে সিরিয়ার সরকার। ক্রিমেটোরিয়াম হচ্ছে এক ধরণের বৈদ্যুতিক চুল্লী। এর মধ্যে মৃতদেহ ভস্ম করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে একজন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কূটনীতিবিদ স্টুয়ার্ট জোন্স বলেছেন, সেডনায়াতে একদিনে ৫০ জন পর্যন্ত বন্দীকে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সেখানে নৃশংসতা চালানো হয়েছে এবং এটা হয়েছে রাশিয়া এবং ইরানের নিঃশর্ত সমর্থনে।

জোন্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে সিরীয় কর্তৃপক্ষ বন্দী হত্যার প্রমাণ সরিয়ে ফেলবার জন্য এই ক্রিমেটোরিয়াম স্থাপন করেছিল। নতুন এই অভিযোগ সম্পর্কে সিরিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ তুলেছিল যে ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল থেকে সেডনায়া বন্দীশালায় প্রতি সপ্তাহে গনফাঁসী কার্যকরের ঘটনা ঘটেছে।

তখন সিরিয়ার সরকার এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা প্রলাপ বলে উল্লেখ করে বলেছিল, সিরিয়ায় সব ধরণের ফাঁসীই যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে কার্যকর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষীর ভিত্তিতে তৈরি ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫ বছরে সেডনায়া বন্দীশালায় নিহত বন্দীর সংখ্যা ৫ হাজার থেকে ১৩ হাজারের মধ্যে। এর চেয়ে আরো বেশী সংখ্যক বন্দীকে সেখানে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এইচআর