ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 2 months ago

কাতারের যৌথ মহড়া : দোহায় ব্রিটিশ যুদ্ধ জাহাজ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সন্ত্রাসবাদ সমর্থন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্টের অভিযোগে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে কাতারের চলমান কূটনৈতিক সংকটের মধ্যেই দোহা পৌঁছাল ব্রিটিশ নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধ জাহাজ। কাতারের নৌবাহিনীর সঙ্গে এই যুদ্ধজাহাজটি নিয়ে যৌথ মহড়ায় অংশ নেবে ব্রিটিশ নৌবাহিনী। মহড়াটি কাতারের জলসীমায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ ও চোরাচালান ঠেকানো এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিরক্ষা খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তির আলোকেই এই মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

 

কাতারে যাওয়া ব্রিটিশ এইচএমএস মিডলটন জাহাজটি শত্রুপক্ষের মাইন অপসারণের সক্ষমতাসম্পন্ন একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ।

 

 

 

 

সন্ত্রাসবাদের সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ এনে গত ৫ জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিসরসহ কয়েকটি দেশ। এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে তা নাকচ করে দেয় দোহা।
কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দুই সপ্তাহ পর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য আল জাজিরা বন্ধ করে দেওয়াসহ কাতারকে ১৩ দফা শর্ত বেঁধে দেয় চার দেশ। শর্ত পূরণে ১০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়। সে সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ২ জুলাই রবিবার সেই সময়সীমা দুই দিন বাড়ানোর কথা জানায় সৌদি সূত্র। সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার পর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। দোহার সঙ্গে সৌদি জোটের এই উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাজ্য-কাতার মহড়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

 

 

 

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, কাতারকে এ অবরোধের মাধ্যমে মূলত সৌদি জোটই ক্ষতিগ্রস্ত হলো বেশি। মুসলিম বিশ্বে এ অবরোধের কারণে সৌদি জোটের প্রতি খারাপ ধারণা জন্ম নিয়ছে। বিশেষ করে একটি সার্বভৌম দেশকে ১৩ দফার যে শর্ত চাপিয়ে দেয়া হয়েছে, তা সৌদি জোটকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে ফেলবে।

 

 

একটি স্বাধীন দেশকে কোনোভাবেই ১৩ দফার ১ দফাও চাপিয়ে দেওয়ার কোনো রাষ্ট্রের নৈতিক অধিকার নেই। এদের শর্তগুলো দেখলে মনে হবে সৌদি জোট এই যুগে নয়; বরং মধ্যযুগে বসবাস করছে, যখন ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো গায়ের জোরে তাদের ইচ্ছা আরেক দেশের উপর চাপিয়ে দিতো।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এএইচ