ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 6 months ago

অভিনেতা দেবের মেয়ের বিয়ে!



বিনোদন ডেস্ক:

নায়ক, সাংসদ পেরিয়ে এবার প্রযোজকের ভূমিকায় দেব। তাঁর প্রোডাকশনের প্রথম ছবি ‘চ্যাম্প’ মুক্তি পাবে আগামী ২৩ জুন। ছবি মুক্তির আগে আনন্দবাজারের সাথে আড্ডায় অভিনেতা।

 

আপনার মেয়ের বিয়ে নাকি?
দেব: হ্যাঁ সত্যিই। ঠিকই বলেছেন (অট্টহাসি)।
নিজের প্রোডাকশনের প্রথম ছবি ‘চ্যাম্প’। কনেকর্তার মতোই দৌড়তে হচ্ছে তো?
দেব: (মুচকি হাসি) আলপিন টু সেফটিফিন, সবই আমার রেসপন্সিবিলিটি। আমি সবাইকে খুশি করতে চেয়েছি। কোথাও যেন কোনও খামতি না থাকে। কেউ যেন না বলে, দেব কিপটে। কেউ যেন না বলে, দেব অ্যাজ আ প্রোডিউসার চেঞ্জ হয়ে গিয়েছি।

 

প্রযোজক হয়েই প্রথম ছবিতে বান্ধবীকে সুযোগ দিলেন…
দেব: আসলে ব্যাপারটা তেমন নয়। রুক্মিণী আমার খুব ক্লোজ। ওকে কাছ থেকে দেখেছি বলেই জয়া চরিত্রটা লিখতে পেরেছি।

 

তার মানে ‘চ্যাম্প’-এর জয়া চরিত্র আসলে রিয়েল লাইফ রুক্মিণী?
দেব: অফকোর্স। আমার জীবন থেকে যেমন ‘শিবাজি’ চরিত্র এসেছে। তেমনই রুক্মিণীর জীবন থেকে ‘জয়া’। ও আমার খুব ভাল বন্ধু। এটা আমাদের রিয়েল লাইফ স্টোরি। না হলে এত সহজ কেমিস্ট্রি কীভাবে হল?

 

রুক্মিণী তো অভিনয়ে আসতেই চাননি। রাজি করালেন কীভাবে?
দেব: আমি জানতাম, এটা ও ছাড়া আর কেউ করতে পারবে না। আমি কনভিন্স করেছিলাম, তোকে এটা করতেই হবে।

 

কী ভাবে গাইড করেছেন?
দেব: আলাদা করে কিছু করতে হয়নি। রুক্মিণী খুব বুদ্ধিমান অভিনেত্রী। ও যে এত ভাল করবে আমি ভাবিনি।

 

বক্সিং নিয়ে বাংলায় সিনেমা করার চ্যালেঞ্জটা নিলেন কেন?
দেব: আমি নেব না তো কে নেবে? আজ কলকাতার বুকে দাঁড়িয়ে বক্সিং নিয়ে ছবি হওয়া উচিত, এটা মনে হলে কার নাম মনে আসবে?… (হাসি) আসলে আমার যাঁরা দর্শক রয়েছেন, যাঁরা মনে করেন এই ছেলেটা নতুন কিছু করবে, বাংলা সিনেমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে তাঁদের কথা ভেবেই এটা করা। আমরা প্রত্যেকেই কোথাও না কোথাও চ্যাম্প। সেটাই বোঝাতে চেয়েছি।

 

আপনার দেখা রিয়েল লাইফ চ্যাম্প কে?
দেব: যাঁরা প্রত্যেকদিন পরিশ্রম করেন, তাঁরা আমার কাছে চ্যাম্প। যে বাবা নিজে পুজোর জামা না কিনে আগে বাচ্চারটা কিনে দেন। যে মা সারাদিন বাইরে পরিশ্রম করার পর বাড়ি ফিরে সমান ভাবে সকলের দেখভাল করেন। তাঁরা সকলে।

 

তবুও কোনও এক জনের কথা যদি বলতে বলি…।
দেব: আমার বাবা। বাবা ইজ আ চ্যাম্প। বাবা ইজ আ হিরো।

 

কেন?
দেব: দেখুন, আমাদের অবস্থা ভাল ছিল না। কেটারিংয়ের ব্যবসা ছিল। একসময় বাবা অনেক প্রোডিউসারকে খাইয়েছে। নিজে হাতে তাঁদের এঁটো বাসন ধুয়েছে। বাবা যে ভাবে আমাকে মানুষ করেছে আমার স্বপ্ন ছিল বাবাকে সেই জায়গাটা এক দিন ফিরিয়ে দেব। আমার জেদ ছিল এটা। হিরো হবার পর এই জেদটা হয়েছে। বাবার নামেই কোম্পানি হবে। আজ সেটা আমি পেরেছি। বাবার নামটা দেখবেন আমার ছবির শুরুতেই আছে।

 

আপনার প্রোডাকশনের পরের ছবিটাও তো রুক্মিণীর সঙ্গেই।
দেব: হ্যাঁ, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় পরিচালনা করছেন, ‘ককপিট’।

 

অন্য নায়িকারা রেগে যাবেন তো…।
দেব: (হাসি) এয়ারহস্টেস হিসেবে ‘ককপিট’-এ রুক্মিণী ছাড়া কাউকে ভাবতে পারছেন? আমার ছবির সাবজেক্টে তো কোনও বায়াসনেস নেই। তা হলে কাস্টে থাকবে কেন? ‘চ্যাম্প’-এর ট্রেলার দেখেই যেমন সকলের মনে হচ্ছে রুক্মিণী ছাড়া আর কাউকে মানাত না। আমি নিশ্চিত ‘ককপিট’ দেখেও সেটাই মনে হবে।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এইচএম