ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 5 months ago

জীবনের গল্পে তারকারা



প্রিয়জনদের সারপ্রাইজ দিতে কে না ভালোবাসে? কিন্তু ব্যস্ততার কারণে সে সুযোগ কমই পান। আর তাই জনপ্রিয় এসব অভিনেতার প্রিয়জনদের জন্য সারপ্রাইজ পার্টি নিয়ে একুশে টিভিতে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে দেখতে থাকুন কোকা-কোলা নিবেদিত ‘এক ডিশ দুই কুক’ অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠান তো দেখবেনই। এবার পড়ুন আনন্দ-ভালোবাসা মিশ্রিত সেই সারপ্রাইজ পার্টির গল্প। সেই গল্পের এবারের মানুষ জনপ্রিয় ও গুণী নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিশা

এবারের এক ডিশ দুই কুক-এ অন্যকে সারপ্রাইজ দিতে এসে নিজেই সারপ্রাইজ হলেন উপস্থাপিকা নাবিলা। অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার দিনটা ছিল তাঁর জন্মদিনে। সেই মিটিংয়ে কেক হাতে হাজির হন তিশা। প্রিয় অভিনেত্রীর কাছ থেকে জন্মদিনের কেক পেয়ে বিষ্মিত নাবিলা। বলেন, ‘এত দিন আমি শোবিজের বিভিন্ন তারকার প্রিয়জনকে সারপ্রাইজ দিয়েছি। এবার তিশা আমাকে সারপ্রাইজ দিলেন। ’ তখনই তিশার সঙ্গে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে সারপ্রাইজ দেওয়ার পরিকল্পনাটা সেরে ফেলেন। তাঁদের সঙ্গে যোগ  দেন আরেক নির্মাতা অমিতাভ রেজা। তবে ফারুকীকে সারপ্রাইজ দেওয়াটা নাকি বেশ সুবিধাজনক। কারণ তিনি কোনো দিনই আগ থেকে তিশার সারপ্রাইজ ধরতে পারেন না।

সারপ্রাইজের আয়োজন করা হয় তিশার মায়ের বাসায়। কারণ ফারুকী নিজের বাসা থেকে  কাজ ছাড়া খুব একটা বেরই হন না। এ জন্য তিশা ফারুকীর কয়েকজন কাছের বলে রেখেছিলেন। তাঁরা  যেন ফারুকীকে বাসা থেকে ডেকে নিকেতনের অফিসে নিয়ে আসেন। এর মধ্যে কয়েকবার তিশা ফারুকীকে ফোন করেন। জানান, শুটিংয়ে ব্যস্ত তিনি। ফারুকী শোল মাছের তরকারি, ভেটকি পাতুরি খুব পছন্দ করেন। এ জন্য পাতুরি, ডাল, মাছ, পাটশাকের ঘন ডাল, শাহি টুকরা রান্না করতে চান তিশা।

নাবিলা আর তিশা বাজার করতে ছুটলেন সুপার শপ স্বপ্নের আউটলেটে। ফোন করে চিরকুট ব্যান্ডের সুমীসহ আরো কয়েকজনকে দাওয়াতও দিলেন। বাজার শেষে রওনা হন ফারুকীর জন্য উপহার কিনতে। বই কিনতে চলে যান শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে। আর কেনার সময় নির্মাতা অমিতাভ রেজাকে ফোন করে জেনে নেন ফারুকীর জন্য কি কি বই কিনবেন। বই কেনা শেষে ক্যাম্পাসে যান ফুচকা খেতে।

কেনাকাটা আর খাওয়াদাওয়া শেষে বাসায় ফেরার পথে মনে পড়ে, পাতুরি রান্না করতে কলাপাতা দরকার।   আর তাই রাস্তা থেকেই কলাপাতা সংগ্রহ করেন। বাসায় ফিরে রান্না শুরু করেন তিশা। ইতিমধ্যেই সুমী এসে হাজির। মায়ের বাসায় রান্না শেষে সব কিছু নিয়ে নিজের বাসায় এসে টেবিল গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিশা। ইতিমধ্যে অমিতাভ রেজা, আদনান আল রাজিব, রেদোয়ান রনিসহ একে একে সবাই হাজির হন বাসায়। ততক্ষণে বাসার দিকে রওনা দিয়েছেন ফারুকী। তিশাও সবাইকে নিয়ে অপেক্ষা করছেন। কলিংবেল বাজতেই সবাই গিয়ে হাজির হন দরজায়। সারপ্রাইজ বলে উল্লাস করে ওঠেন। এমন আয়োজন দেখে বিস্ময়ে অভিভূত হন ফারুকী। ভাবছিলেন, আজ কোনো বিশেষ দিন নেই তো। বারবার জানতে চান, এসবের মানে কী? তখনই তাঁকে সারপ্রাইজের বিষয়টি খুলে বলা হয়। তাঁকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য দিনভর নানা আয়োজনের গল্প শুনে আরো বিষ্মিত হন ফারুকী। তিশা আনন্দ পেলেন আর বলেন— সারয়ার ফরুকীকে এ রকম সারপ্রাইজ দিতে পেরে সত্যিই তিনি আনন্দিত।