ব্রেকিং নিউজঃ

Published: 5 months ago

রকিবুলের বিধ্বংসী ব্যাটিংও মোহামেডানকে জেতাতে পারেনি



রকিবুলের বিধ্বংসী ব্যাটিংও মোহামেডানকে জেতাতে পারেনি। তার আগুন ঝরানো ব্যাটিং নৈপুণ্য অনেকদিন সবার মনে থাকবে বটে। সেই সঙ্গে তার অনবদ্য ১৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসও। তবে আবাহনীর লিটনের ১৩৫ ও শান্তর ১১০ রানের জোড়া সেঞ্চুরিই অভিজাত পাড়ার দলটিকে শেষতক ২৭ রানের জয় এনে দেয়।

সোমবার সকালে প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে মর্যাদার লড়াইয়ে দেশের এ দুই জনপ্রিয় দল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে। শুরুতে টস জিতে আবাহনী প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে ৩৬৬ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় মোহামেডানের সামনে। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়  তাদের ৯ উইকেটে ৩৩৯ রান এসে থামতে হয়েছে।

মোহামেডান জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৮ রানের মধ্যে ৩ উইকেট খুইয়ে বসে। এমন ধাক্কা সামলাতে দায়িত্ব নিজ কাধে তুলে নেন শ্রীলংকার চারিথ আসালঙ্কা ও অধিনায়ক রকিবুল হাসান। দ্রুত উইকেটে সেট হয়ে তারা আবাহনী বোলারদের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন।  আসালঙ্কা ও রকিবুল ব্যাটিং ঝড়ে ১২৬ বলে ১৭৫ রানের জুটি গড়েন তারা। তাতেই লড়াইয়ে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করে সাদাকালোর দল।

আসালঙ্কা ৮টি চারে ৬০ বলে ৬৩ রানে ফিরলেও, এক প্রান্ত আগলে চার-ছক্কার বন্যা বইয়ে দেন রকিবুল। ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি পেরিয়ে, নিজের স্কোরটা দেড়শ’তে নিয়ে যান রকিবুল। এতে মোহামেডান নাটকীয় জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে। কিন্ত রাকিবুল ব্যাটসম্যানদের সহায়তা পাচ্ছিলেন না। তাই ৩৩৯ রান এসেই মোহামেডান ইনিংষ শেষ করে। ১৭টি চার ও ১০টি ছক্কায় ১৩৮ বলে ১৯০ রান করেন রকিবুল। আবাহনীর ভারতীয় পেসার মানন শর্মা ৪৭ রানে ৫ উইকেট নেন। দল হারলেও নান্দনিক ইনিংসের কারণে ম্যাচের সেরা হয়েছেন রকিবুল।

এর আগে উদ্বোধনী জুটিতে আবাহনীর দুই ওপেনার লিটন ও সাদমান ইসলাম ৯৬ বলে ১০৩ রানের জুটি গড়েন। লিটন দাস ও শান্ত’র জোড়া সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ৩৬৬ রান তুলে আবাহনী।  উদ্বোধনী জুটিতে দুই ওপেনার লিটন ও সাদমান ৯৬ বলে ১০৩ রানের জুটি গড়েন। সাদমান ২৮ রানে ফিরলে, জুটি বাধেন লিটন ও শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৭ বল মোকাবেলা করে ১০৯ রান যোগ করেন তারা। এরমধ্যেই দু’জনই পেয়ে যান সেঞ্চুরির দেখা। লিটন ১৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০৩ বলে ১৩৫ ও শান্ত ৩টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১০০ বলে ১১০ রান করে থামেন। এই দু’জনের সাথে শেষ দিকে ব্যাট হাতে মারমুখী রূপ ধারণ করেন শুভাগত হোম।

ছয় নম্বরে নেমে মাত্র ২৭ বলে অপরাজিত ৪৮ রান করেন শুভাগত। তার ইনিংসে ৩টি চার ও ২টি ছক্কা ছিলো। এতে ৫ উইকেটে ৩৬৬ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় আবাহনী। মোহামেডানের তাইজুল ইসলাম ৩ উইকেট শিকার করেন।

উল্লেখ্য, আট ম্যাচে এটি আবাহনীর ছিল ষষ্ঠ জয়। তবে সমানসংখ্যক ম্যাচে মোহামেডান এটি ছিল তৃতীয় পরাজয়।

 

বাংলা রিপোর্ট ডটকম/এমএ